শাহজালাল মাজারে ১৭ লাখ টাকা! দানবাক্সে মিলল স্বর্ণ
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
হযরত শাহজালাল (র.) মাজারের দানবাক্স ও ডেকচিতে চার দিনের দান গণনা শেষে প্রায় ১৭ লাখ টাকার বেশি অর্থ এবং স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গেছে।
সোমবার (২২ জুন) দিনব্যাপী গণনা শেষে সিলেট জেলা প্রশাসন এ তথ্য জানায়।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার মাজারের ডেকচি সিলগালা করা হয় এবং একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯টি দানবাক্স স্থাপন করা হয়। সোমবার জোহরের নামাজের পর জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সেগুলো খুলে গণনা কার্যক্রম শুরু করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিদায়ী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
গণনায় দেখা যায়, প্রায় সাড়ে চার দিনে ভক্ত-অনুরাগীদের দেওয়া দানে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকারও বেশি জমা হয়েছে। পাশাপাশি পাওয়া গেছে প্রায় ৭ আনা পরিমাণ স্বর্ণ।
গণনা কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবকরাও অংশ নেন। এ সময় ডেকচির ভেতর থেকে জেলা প্রশাসকের প্রশংসাসূচক একটি চিঠিও পাওয়া গেছে বলে জানায় প্রশাসন।
এদিকে দানবাক্স খোলার আগেই সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। তার এই উদ্যোগ ও মাজার ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) বেলা দেড়টার দিকে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিদর্শণে যান সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দানবাক্সে তালা দেওয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৪টার দিকে সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল বাছিত মোল্লার নেতৃত্বে সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের ৩টি ডেগে সিলগালা করা হয়।
এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় একটি প্রধান দানবাক্সসহ ছোট-ছোট আরও কয়েকটি দানবাক্স মাজারের বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে। পাশাপাশি এই দানবাক্সের নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া পরবর্তীতে মাজারের দানবাক্সের উপরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এর পরপরই ডিসির এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসেন সারওয়ার আলম।



















