মির্জা ফখরুল
ফারাক্কা চুক্তি বাস্তবায়নেই বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে কি না, তা ফারাক্কা চুক্তির বাস্তবায়ন ও নবায়নের মাধ্যমেই প্রমাণিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১৬ মে) ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন-এ বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, চলতি বছর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা নবায়নে ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে। তবে বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করেই ফারাক্কা ব্যারাজ চুক্তি নবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বর্তমান সরকারের পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।”
দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে এবং দেশের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় পানি ও পরিবেশ সংকটের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে, যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিচ্ছেন।
প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ নয়, তবে দাসত্বের শৃঙ্খলেও আবদ্ধ থাকা যাবে না।”
ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তারা দেশের নদী ও পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।




















