ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অধ্যাদেশ বাতিলের পর মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য একযোগে পদত্যাগ করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। পদত্যাগের পর কমিশনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে একটি খোলাচিঠিও পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে কমিশনের সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এটি কার্যকর হবে।

বিরোধী দলের আপত্তি উপেক্ষা করে সংসদ ওই অধ্যাদেশ বাতিল করে এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০০৯ সালে প্রণীত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেয়।

পদত্যাগের বিষয়ে বিদায়ী কমিশনের সদস্য নূর খান বলেন, সরকার সরাসরি পদত্যাগ করতে বলেনি; তবে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। যেহেতু তারা বাতিল হওয়া অধ্যাদেশের আওতায় দায়িত্ব পেয়েছিলেন, তাই সেটি আর বহাল না থাকায় পদত্যাগকেই যৌক্তিক মনে করেছেন।

এদিকে কমিশনের সচিব কুদরত-এ-ইলাহী জানান, অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় পূর্বের কমিশন কার্যত আর বিদ্যমান নেই। তবে সদস্যদের পাঠানো খোলাচিঠি তিনি এখনও পড়েননি বলেও উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অধ্যাদেশ বাতিলের পর মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য একযোগে পদত্যাগ করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। পদত্যাগের পর কমিশনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে একটি খোলাচিঠিও পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে কমিশনের সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এটি কার্যকর হবে।

বিরোধী দলের আপত্তি উপেক্ষা করে সংসদ ওই অধ্যাদেশ বাতিল করে এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০০৯ সালে প্রণীত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেয়।

পদত্যাগের বিষয়ে বিদায়ী কমিশনের সদস্য নূর খান বলেন, সরকার সরাসরি পদত্যাগ করতে বলেনি; তবে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। যেহেতু তারা বাতিল হওয়া অধ্যাদেশের আওতায় দায়িত্ব পেয়েছিলেন, তাই সেটি আর বহাল না থাকায় পদত্যাগকেই যৌক্তিক মনে করেছেন।

এদিকে কমিশনের সচিব কুদরত-এ-ইলাহী জানান, অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় পূর্বের কমিশন কার্যত আর বিদ্যমান নেই। তবে সদস্যদের পাঠানো খোলাচিঠি তিনি এখনও পড়েননি বলেও উল্লেখ করেন।