জুনের আগেই ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা: কালবৈশাখীর তাণ্ডবে সতর্ক দেশ
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
গরমের দমবন্ধ করা দিন, হঠাৎ কালো মেঘ, তারপর ঝড়—বাংলার আকাশে যেন আবারও ফিরছে চেনা এক অস্থির সময়। এপ্রিল থেকে জুন—এই তিন মাসকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগের খবর দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাস বলছে, এই সময়ে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে পারে ৩ থেকে ৪টি লঘুচাপ। এর মধ্যে অন্তত ১ থেকে ২টি রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে। অর্থাৎ, উপকূলজুড়ে বাড়তে পারে দুর্যোগের আশঙ্কা।
শুধু ঘূর্ণিঝড় নয়, দেশের আকাশজুড়ে দেখা দিতে পারে একাধিক কালবৈশাখী ঝড়। এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে অন্তত ৬ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। আর ৩ থেকে ৫ দিন দেখা দিতে পারে তীব্র কালবৈশাখী—যার দমকা হাওয়া, বজ্রপাত আর শিলাবৃষ্টি মুহূর্তেই বিপর্যস্ত করে দিতে পারে জনজীবন।
এই সময়টাতে গরমও থাকবে চরমে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করতে পারে। ৬ থেকে ৮টি মৃদু ও মাঝারি তাপপ্রবাহের পাশাপাশি ৩ থেকে ৪টি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে—যেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
গ্রামের মাঠে ফসল, শহরের ব্যস্ত রাস্তায় মানুষ—সবাইকে একসঙ্গে সামলাতে হবে এই দ্বৈত চ্যালেঞ্জ: একদিকে প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়টাতে সচেতনতা সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা। ঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা, বজ্রপাত এড়িয়ে চলা এবং তাপপ্রবাহে শরীর ঠান্ডা রাখা—এসবই হতে পারে জীবন বাঁচানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
প্রকৃতি যেন আগেই সতর্কবার্তা দিচ্ছে—এবার প্রস্তুতির পালা মানুষের।





















