ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির ৪৮ বছরে ৪৮ অর্জনের তালিকা তুলে ধরলেন মাহদী আমিন টাঙ্গাইলে প্রথম জব ফেয়ার, ৫১ প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ খুঁজছেন তরুণরা স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপহরণের ২৭ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু চাকরির শুরুতে বেতন কত, পুরোনোদের বেতনই বা কত বাড়বে ‘পাপ কামিয়েছি, ধুয়েমুছে মরতে চাই’—ভাইরাল বক্তব্য নিয়ে যা বললেন পপি বরের বাড়ি নয়, ‘এনেই থাকবাম’—তুলে নেওয়া নববধূর ভিডিও ভাইরাল রাণীশংকৈলে নানা আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগির সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের

গাইবান্ধায় ভাইয়ের লাথিতে ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগ

সরকার লুৎফর রহমান,গাইবান্ধা
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৩৪২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ছোট ভাই আমিরুল প্রধানের লাথির আঘাতে বড় ভাই আব্দুল মমিন প্রধান (৬২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ছায়েল প্রধান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আব্দুল মমিন প্রধানের স্বজনরা।

এর আগে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলা সাহাপাড়া ইউনিয়নের নয়ন সুখ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মমিন প্রধান এই গ্রামের মৃত আলম উদ্দিন প্রধানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে যানা যায়, দীর্ঘ দিন থেকে আব্দুল মমিন প্রধানের সাথে তার দুই সৎ ভাই আমিরুল প্রধান ও আনোরুল প্রধানের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ইতোপূর্বে এই জমি নিয়ে স্থানীয় সালিশে আপোস করাও হয়। পরবর্তীতে দুই সৎ ভাই এই মীমাংসা না মেনে নিয়ে আবার শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আব্দুল মমিন প্রধানের সঙ্গে সেই জমির স্থানে তর্ক-বিতর্ক শুরু করেন। এরই একপর্যায়ে আব্দুল মমিনকে একা পেয়ে পেছন দিক থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাত করে আনোরুলের ছেলে আওলাদ মিয়া। তখন আমিরুল প্রধান তার ভাই আব্দুল মমিন প্রধানের পুরুষাঙ্গে বেশ কয়েকবার লাথি মারেন। তারপর ভুক্তভোগীর ছেলে ছায়েল প্রধান বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর শুরু করেন। এছাড়া নিহতের ছেলের স্ত্রী রোকসানা বেগম সেখানে গেলে তার মুখমন্ডলে আঘাত করলে তার চোখের পাশেও জখম হয়।

এরপর পরিবারের স্বজনরা আব্দুল মমিনকে দ্রুত সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে শুক্রবার রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করেন। পরে রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

গাইবান্ধা সদর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মিজান মিয়া বলেন, নিহতের ছেলে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলার আবেদন করেছেন। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাইবান্ধায় ভাইয়ের লাথিতে ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ছোট ভাই আমিরুল প্রধানের লাথির আঘাতে বড় ভাই আব্দুল মমিন প্রধান (৬২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ছায়েল প্রধান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আব্দুল মমিন প্রধানের স্বজনরা।

এর আগে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলা সাহাপাড়া ইউনিয়নের নয়ন সুখ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মমিন প্রধান এই গ্রামের মৃত আলম উদ্দিন প্রধানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে যানা যায়, দীর্ঘ দিন থেকে আব্দুল মমিন প্রধানের সাথে তার দুই সৎ ভাই আমিরুল প্রধান ও আনোরুল প্রধানের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ইতোপূর্বে এই জমি নিয়ে স্থানীয় সালিশে আপোস করাও হয়। পরবর্তীতে দুই সৎ ভাই এই মীমাংসা না মেনে নিয়ে আবার শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আব্দুল মমিন প্রধানের সঙ্গে সেই জমির স্থানে তর্ক-বিতর্ক শুরু করেন। এরই একপর্যায়ে আব্দুল মমিনকে একা পেয়ে পেছন দিক থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাত করে আনোরুলের ছেলে আওলাদ মিয়া। তখন আমিরুল প্রধান তার ভাই আব্দুল মমিন প্রধানের পুরুষাঙ্গে বেশ কয়েকবার লাথি মারেন। তারপর ভুক্তভোগীর ছেলে ছায়েল প্রধান বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর শুরু করেন। এছাড়া নিহতের ছেলের স্ত্রী রোকসানা বেগম সেখানে গেলে তার মুখমন্ডলে আঘাত করলে তার চোখের পাশেও জখম হয়।

এরপর পরিবারের স্বজনরা আব্দুল মমিনকে দ্রুত সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে শুক্রবার রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করেন। পরে রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

গাইবান্ধা সদর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মিজান মিয়া বলেন, নিহতের ছেলে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলার আবেদন করেছেন। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা করা হচ্ছে।