ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় ডিজে পার্টি, অংশ নিতো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের ৬৭৮ কোটি টাকার স্বর্ণ-হীরার লেনদেন, জুলাই আন্দোলনের মামলায়ও আসামি দিলীপ মৌলভীবাজারে দুই রেস্টুরেন্টে ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা বসুন্ধরা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান দল নয়, দেশ বড়—তারেক রহমানের রাজনীতিতে নতুন বার্তা খাটে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ, জমির দলিল ও স্বর্ণালংকারের খোঁজ মিলছে না নতুন চাকরিতে যোগ দিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না আনোয়ার হোসেনের যশোরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পূজা দেখতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল দুই ভাই-বোনের

অগ্নিঝরা মার্চ

বিশেষ প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ। ১৯৭১ সালের মার্চ মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অগ্নিঝরা অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। এটি ছিল বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্বের সূচনা। মার্চের প্রথম দিনেই বাঙালি জাতির স্বাধীনতার স্বপ্ন নতুন দ্যুতিতে আলোড়িত হয়।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান একটি গুরুত্বপূর্ণ বেতার ভাষণে ৩ মার্চের গণপরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। তার এই ঘোষণা বাঙালি জাতির মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে এবং সারা দেশে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। তখন ঢাকায় পাকিস্তান বনাম বিশ্ব একাদশের ক্রিকেট খেলা চলছিল, কিন্তু ইয়াহিয়া খানের ঘোষণার পর দর্শকরা মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে এসে পল্টন ও গুলিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে।

এই বিক্ষোভগুলো ছিল শুধুমাত্র রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রকাশ নয়, বরং স্বাধীনতার জন্য বাঙালির এক অব্যক্ত আকাঙ্ক্ষার এক ঝলক। মার্চ মাসের শেষ দিন, ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকায় কালরাত্রির নৃশংস আক্রমণ চালায়, যেটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ছিল। বাঙালি জাতি তখন মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে, এবং এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এক স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পায়।

এভাবেই ১৯৭১ সালের মার্চ মাস বাঙালির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মোড় বদলের সাক্ষী হয়ে থাকে। মার্চের প্রতিটি দিন ছিল সংগ্রামের, প্রতিরোধের এবং এক নতুন দেশের জন্মের প্রেরণা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অগ্নিঝরা মার্চ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ। ১৯৭১ সালের মার্চ মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অগ্নিঝরা অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। এটি ছিল বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্বের সূচনা। মার্চের প্রথম দিনেই বাঙালি জাতির স্বাধীনতার স্বপ্ন নতুন দ্যুতিতে আলোড়িত হয়।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান একটি গুরুত্বপূর্ণ বেতার ভাষণে ৩ মার্চের গণপরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। তার এই ঘোষণা বাঙালি জাতির মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে এবং সারা দেশে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। তখন ঢাকায় পাকিস্তান বনাম বিশ্ব একাদশের ক্রিকেট খেলা চলছিল, কিন্তু ইয়াহিয়া খানের ঘোষণার পর দর্শকরা মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে এসে পল্টন ও গুলিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে।

এই বিক্ষোভগুলো ছিল শুধুমাত্র রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রকাশ নয়, বরং স্বাধীনতার জন্য বাঙালির এক অব্যক্ত আকাঙ্ক্ষার এক ঝলক। মার্চ মাসের শেষ দিন, ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকায় কালরাত্রির নৃশংস আক্রমণ চালায়, যেটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ছিল। বাঙালি জাতি তখন মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে, এবং এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এক স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পায়।

এভাবেই ১৯৭১ সালের মার্চ মাস বাঙালির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মোড় বদলের সাক্ষী হয়ে থাকে। মার্চের প্রতিটি দিন ছিল সংগ্রামের, প্রতিরোধের এবং এক নতুন দেশের জন্মের প্রেরণা।