ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতা গ্রেপ্তার, আন্দোলনের ডাক যন্তর মন্তরে

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
ভারতের দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়।
সিজেপির আইনবিষয়ক দলের প্রধান রত্না সিংহ জানিয়েছেন, তিন নেতার পক্ষে দলের আইনজীবীরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। তাঁদের মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দলটি। অন্যদিকে, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে শনিবার গভীর রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ ও ১৭০ ধারায় তিন নেতাকে সতর্কতামূলকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচি
ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) বাতিলের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন সিজেপির নেতারা।
তবে দিল্লি পুলিশ ওই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। এরপরও বড় জমায়েতের আশঙ্কায় শুক্রবার রাত থেকেই নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। শনিবার মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর বিমান থেকেই দীপকে, রাঙ্কা ও সৌরভকে আটক করে পুলিশ। পরে রোববার তাঁদের গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়।
এদিকে, যন্তর মন্তরে যাওয়ার আগেই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আটকের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
আগাম ভিডিওতে বিকল্প নেতার নাম ঘোষণা
গ্রেপ্তারের আশঙ্কা থেকে সিজেপির তিন নেতা আগেই একটি ভিডিও রেকর্ড করে রেখেছিলেন। পরে দলটির পক্ষ থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। সেখানে অভিজিৎ দীপকে তাঁদের অনুপস্থিতিতে অজিঙ্ক শিন্দেকে দলের নেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। তিন নেতা আটক বা গ্রেপ্তার হলে অজিঙ্ক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন বলেও ভিডিওতে জানানো হয়।
সেই ঘোষণা অনুযায়ী, রোববার আবারও আন্দোলনের ডাক দিয়েছে সিজেপি। যন্তর মন্তরে সমর্থকদের জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
তবে রোববারের কর্মসূচি কীভাবে এগোবে এবং গ্রেপ্তার তিন নেতার বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কী সিদ্ধান্ত দেন, তা নিয়ে পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে নজর রয়েছে।

























