লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুৎ মিলবে না, সরকারকে সময় দিতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:০৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, লংমার্চ করলেই গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটের সমাধান হবে না। এ জন্য সরকারকে সময় দিতে হবে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের আশরাফাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় সহায়তার লক্ষ্যে ডিএসসিসি ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
আবদুস সালাম বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগের বাইরে আর কী করা যায়, সে বিষয়ে বিরোধী দলগুলোর কাছেও পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু পেট্রোল পুড়িয়ে লংমার্চ করার আগে জ্বালানি আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
বিরোধী দলের কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা শুধু বক্তৃতা দিচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা বা আবর্জনামুক্ত নগর গড়তে তারা কোনো কর্মসূচি নিয়েছে কি না—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর ভাষায়, শুধু ‘এটা হলো না, এখনই দরকার’ বললেই তো সবকিছু হাওয়া থেকে চলে আসবে না।
ব্যাংক খাতের অব্যবস্থাপনা ও ঋণের বোঝার প্রসঙ্গ তুলে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল ঋণের চাপ নিয়েই বর্তমান সরকারকে কাজ করতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এক বছরে সংগ্রহ হবে ১ লাখ কেজি প্লাস্টিক
‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচি প্রসঙ্গে আবদুস সালাম বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ড্রেন, নালা ও নর্দমায় প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার কারণে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তাই নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য জমা দিলে একদিকে জলাবদ্ধতা কমবে, অন্যদিকে পরিবেশও সুরক্ষিত হবে।
তিনি জানান, শিগগিরই ডিএসসিসির উদ্যোগে গুলিস্তানে একটি স্থায়ী স্টল স্থাপন করা হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডেও এ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় আগামী এক বছরে ১০০টি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া অস্থায়ী এসটিএসের সুবিধাজনক স্থানে পথশিশুদের জন্য ‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।



























