বিপিএল ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত এনসিপি নেতা রাকিবুল ইসলাম সানি
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:১৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা রাকিবুল ইসলাম সানি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার দুটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিসিবি এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার তিনজন অভিযুক্তের নাম প্রকাশ করে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও অডিট কমিটির সাবেক সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।
রাকিবুল ইসলাম সানি বর্তমানে এনসিপির জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।
দুর্নীতির প্রস্তাব গোপন রাখার অভিযোগ
বিসিবির অভিযোগ অনুযায়ী, রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার ২.৪.৪ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই ধারায় দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর জন্য কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ পেলে তা নির্ধারিত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার কাছে যথাসময়ে সম্পূর্ণ তথ্যসহ জানানো বাধ্যতামূলক। তবে রাকিবুল ইসলাম সানি এমন তথ্য নির্ধারিত কর্তৃপক্ষকে জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার ২.৪.৬ ধারা অনুযায়ী, সম্ভাব্য দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্তে সহযোগিতা না করা বা সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সাময়িক বরখাস্ত, জবাব দিতে ১৪ দিন
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযোগ ওঠার পর রাকিবুল ইসলাম সানিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। চার্জের নোটিশ পাওয়ার পর অভিযোগের বিষয়ে নিজের বক্তব্য ও জবাব দেওয়ার জন্য তাকে ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রাকিবুল ইসলাম সানির বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আরও দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
রাকিবুল ইসলাম সানি ছাড়াও বিপিএল ফিক্সিং ও দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীম এবং বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার জাকির হোসাইন।
অভিযোগ ওঠার পর এই তিনজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত তিনজনই সাবেক বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের অধীনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের তদন্ত শেষে আনা এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জবাব এবং পরবর্তী তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
















