চোখের জলে ফুটবলকে বিদায়, শেষ অধ্যায় মেটলাইফ স্টেডিয়ামে

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৪৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
১৬ বছর আগে যে মাঠে ব্রাজিলের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল, সেই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই শেষ হল নেইমারের জাতীয় দলের যাত্রা। বিশ্বকাপের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের কাছে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ৩৪ বছর বয়সি এই তারকা ফরোয়ার্ড। সতীর্থরা তাঁকে সান্ত্বনা দেন। পরে মিক্সড জোনে আবেগঘন কণ্ঠে নেইমার বলেন, “আমি অনেক চেষ্টা করেছি, নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি। কিন্তু এবার শেষ। যেখানে শুরু হয়েছিল, সেখানেই শেষ করলাম।”
চোট, ফর্মের ওঠানামা এবং নানা বিতর্ক পেরিয়েও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ছিল নেইমারের। কোচ কার্লো আনচেলোত্তির অধীনে শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নামার সুযোগ পেলেও সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ম্যাচে মাত্র ৩৭ মিনিট খেলেই বিদায় নেন তিনি।
চোটের কারণে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ খেলতে পারেননি নেইমার। পরের ম্যাচগুলোতেও তাকে সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করলেও তা হার এড়াতে যথেষ্ট ছিল না।
২০১০ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর ব্রাজিলের জার্সিতে ১৩০ ম্যাচে ৮০ গোল করেন নেইমার। চারটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে তিনি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ক্যারিয়ার শেষ করলেন। তার অর্জনের তালিকায় রয়েছে ২০১৬ অলিম্পিকে স্বর্ণ, ২০১২ অলিম্পিকে রৌপ্য এবং ২০১৩ কনফেডারেশনস কাপ জয়।
তবে বিশ্বকাপ ট্রফি অধরা থেকে যাওয়ায় নেইমারের ক্যারিয়ারকে অনেকেই এক ‘অপূর্ণ অধ্যায়’ হিসেবেই দেখছেন—যেখানে প্রতিভা ছিল অসাধারণ, কিন্তু শেষ হাসিটা আসেনি।



















