ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিচারককে ‘ম্যানেজে’ ৫ কোটি ঘুষ, ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ

আদালত প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক এবং আদালতকে ম্যানেজ করে নিজের পক্ষে রায় নেয়ার জন্য আবুল হাসেম নামের এক ব্যক্তিকে ৫ কোটি সাড়ে ২১ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ায় রাজধানীর ফুলবাড়িয়ার সিটি প্লাজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং আদি বাংলা গার্মেন্টসের মালিক ব্যবসায়ীকে এম সোহেলের বিরুদ্ধ আইনী ব্যবস্থা নিতে আইনী নোটিশ দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোঃ সোলায়মান (তুষার) সুপ্রিম কোর্টের আটজন আইনজীবীর পক্ষে
ইমেইলযোগে বৃহস্পতিবার )২১ মে) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশার ও দুদকের চেয়ারম্যানকে এই নোটিশ পাঠান।

ব্যারিস্টার মোঃ সোলায়মান (তুষার) ছাড়ও নোটিশদাতারা হলেন-ব্যারিস্টার মাহদী জামান, এডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, এডভােকট নাঈম সরদার, এডভােকেট লোকমান হাকিম, এডভোকেট আবদুল লতিফ, এডভােকেট খায়রুল বাশার ও ব্যারিস্টার মোঃ কাউসার।

উল্লেখ যে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী না হয়েও আবুল হাসেম নিজেকে সুপ্রিম কোর্টেরর আইনজীবী দাবি করেছেন বলে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল দাবি করেছন। আবুল হাসেম ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী বলে জানা গেছে। প্রতারণার অভিযোগে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল ইতিমধ্যেই মামলা করেছেন যেটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে।

আইনী নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ব্যবসায়ী কে এম সোহেলের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা না নিলে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনী বব্যবস্থা নেয়া হবে বলে লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

আইনী নোটিশে বলা হয়-ব্যবসায়ী কেএম সোহেল আইনসম্মত পথ ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে নিজের পক্ষে, অথবা তার সমিতির পক্ষে রায় আদায়ের জন্য আবুল হাশেমকে অর্থ দিয়েছিলেন,। তিনি একজন স্বচ্ছ মনের ব্যক্তি নন। ব্যবসায়ী কেএম সোহেল তার নিজের কাজের জন্য সরাসরি দায়ী, যা ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে একটি ফৌজদারি অপরাধ। ব্যবসায়ী কেএম সোহেলের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে মামলা করা বিবাদীদের আইনী দায়িত্ব।

আইনী নোটিশের বিসয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোঃ সোলায়মান (তুষার) বলেন, আজ ইমেইলযোগে বিবাদীর নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশ পা্ওয়ার পর যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিচারককে ‘ম্যানেজে’ ৫ কোটি ঘুষ, ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক এবং আদালতকে ম্যানেজ করে নিজের পক্ষে রায় নেয়ার জন্য আবুল হাসেম নামের এক ব্যক্তিকে ৫ কোটি সাড়ে ২১ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ায় রাজধানীর ফুলবাড়িয়ার সিটি প্লাজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং আদি বাংলা গার্মেন্টসের মালিক ব্যবসায়ীকে এম সোহেলের বিরুদ্ধ আইনী ব্যবস্থা নিতে আইনী নোটিশ দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোঃ সোলায়মান (তুষার) সুপ্রিম কোর্টের আটজন আইনজীবীর পক্ষে
ইমেইলযোগে বৃহস্পতিবার )২১ মে) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশার ও দুদকের চেয়ারম্যানকে এই নোটিশ পাঠান।

ব্যারিস্টার মোঃ সোলায়মান (তুষার) ছাড়ও নোটিশদাতারা হলেন-ব্যারিস্টার মাহদী জামান, এডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, এডভােকট নাঈম সরদার, এডভােকেট লোকমান হাকিম, এডভোকেট আবদুল লতিফ, এডভােকেট খায়রুল বাশার ও ব্যারিস্টার মোঃ কাউসার।

উল্লেখ যে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী না হয়েও আবুল হাসেম নিজেকে সুপ্রিম কোর্টেরর আইনজীবী দাবি করেছেন বলে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল দাবি করেছন। আবুল হাসেম ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী বলে জানা গেছে। প্রতারণার অভিযোগে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল ইতিমধ্যেই মামলা করেছেন যেটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে।

আইনী নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ব্যবসায়ী কে এম সোহেলের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা না নিলে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনী বব্যবস্থা নেয়া হবে বলে লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

আইনী নোটিশে বলা হয়-ব্যবসায়ী কেএম সোহেল আইনসম্মত পথ ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে নিজের পক্ষে, অথবা তার সমিতির পক্ষে রায় আদায়ের জন্য আবুল হাশেমকে অর্থ দিয়েছিলেন,। তিনি একজন স্বচ্ছ মনের ব্যক্তি নন। ব্যবসায়ী কেএম সোহেল তার নিজের কাজের জন্য সরাসরি দায়ী, যা ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে একটি ফৌজদারি অপরাধ। ব্যবসায়ী কেএম সোহেলের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে মামলা করা বিবাদীদের আইনী দায়িত্ব।

আইনী নোটিশের বিসয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোঃ সোলায়মান (তুষার) বলেন, আজ ইমেইলযোগে বিবাদীর নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশ পা্ওয়ার পর যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।