ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে হামে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে প্রাণহানি ৪৫১ টাঙ্গাইলকে আধুনিক ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ফারাক্কার প্রভাবে প্রাণহীন পদ্মা হারানো ঐতিহ্য ‘রাজশাহী সিল্ক’ পুনরুদ্ধারে ব্র্যাককে এগিয়ে আসার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর নবম পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশের দাবি সরকারি কর্মচারীদের রতোয়া নদীতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু ঘোড়াঘাটের বাজারে অপরিপক্ক লিচুর ছড়াছড়ি, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হবে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান গোপালপুরে যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মামলাকে ঘিরে বিতর্ক পাবনার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ১৭ বছর পর ঢাকায় গ্রেফতার

সিটি নির্বাচনে একক পথে জামায়াত, ১২ সিটিতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নিলেও আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এককভাবে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলীয় সূত্র বলছে, দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের জন্য সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত করেছে দলটি। এ ক্ষেত্রে তরুণ নেতৃত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত ১১–দলীয় ঐক্যের ব্যানারে অংশ নেয়। সেই জোটে ইসলামি দলগুলোর পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)ও ছিল। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষ করে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একক কৌশলেই এগোতে চায় দলটি।

জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে শুধু দলীয় রুকন নয়, জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনেও দলীয় কর্মী-সমর্থক এমনকি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মনোনয়নের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হতে পারে।

বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের সামনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে জামায়াতের। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদেরও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে।

চার সিটিতে প্রার্থী ঘোষণা

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় শাখাগুলো থেকে পাঠানো তিন সদস্যের প্যানেল যাচাই করে সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে চারটি সিটির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করতে বলা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মহানগর জামায়াতের আমির আবদুল জব্বার। গাজীপুরে আলোচনায় রয়েছেন তুরস্কে কর্মরত শিক্ষক ও ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা হাফিজুর রহমান।

চট্টগ্রাম সিটিতে দলটির সম্ভাব্য প্রার্থী নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালী। রংপুর সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মহানগর আমির এ টি এম আজম খান।

ঢাকার দুই সিটিতে আলোচনায় যারা

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিবেচনায় রয়েছেন। আর দক্ষিণ সিটিতে আলোচনায় আছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি আবু সাদিক, যিনি সাদিক কায়েম নামে পরিচিত।

তাঁকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা থাকলেও জামায়াত নেতাদের দাবি, নির্বাচনের সময় তাঁর ছাত্রত্ব ও ছাত্রসংগঠনের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে, ফলে সাংগঠনিকভাবে প্রার্থী হতে বাধা থাকবে না।

এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব

জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে এনসিপির পক্ষ থেকে দলীয় মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে যৌথ প্রার্থী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে দলটির শীর্ষ পর্যায়ে এ নিয়ে আপত্তি রয়েছে।

জামায়াতের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁকে সমর্থন দিলে রাজনৈতিক দায়ভার জামায়াতের ওপরও পড়তে পারে।”

কেন এককভাবে নির্বাচন?

জামায়াত নেতাদের মতে, অতীতে বিএনপির সঙ্গে জোটে থেকেও স্থানীয় নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশ নিয়ে তারা তুলনামূলক ভালো ফল পেয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতাই এবার একক কৌশলের পেছনে বড় কারণ।

দলটির অভ্যন্তরে ধারণা তৈরি হয়েছে যে, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাদের জনসমর্থন বেড়েছে এবং তারা এখন নিজেদের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে দেখছে। ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বতন্ত্র অবস্থান জোরদার করতে চায় দলটি।

একক প্রস্তুতিতে এনসিপিও

জোটের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে না দিলেও এনসিপিও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আলাদা প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যে ঢাকার দুই সিটিসহ কয়েকটি সিটিতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি।

এনসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম বলেছেন, জোটগত নাকি এককভাবে নির্বাচন হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। তবে প্রস্তুতির স্বার্থে তারা এখনই প্রার্থী ঘোষণা করছে।

দ্রুত নির্বাচন চায় জামায়াত

বর্তমানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। জামায়াতের দাবি, প্রশাসকদের রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন এবং প্রশাসকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধের দাবি জানিয়েছে দলটি।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতেই স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব থাকা উচিত।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট ঘোষণা না এলেও রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যে মাঠ গোছাতে শুরু করেছে। শেষ পর্যন্ত জোটগত সমঝোতা হবে নাকি আলাদা লড়াই—তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনী তফসিলের ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিটি নির্বাচনে একক পথে জামায়াত, ১২ সিটিতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নিলেও আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এককভাবে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলীয় সূত্র বলছে, দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের জন্য সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত করেছে দলটি। এ ক্ষেত্রে তরুণ নেতৃত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত ১১–দলীয় ঐক্যের ব্যানারে অংশ নেয়। সেই জোটে ইসলামি দলগুলোর পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)ও ছিল। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষ করে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একক কৌশলেই এগোতে চায় দলটি।

জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে শুধু দলীয় রুকন নয়, জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনেও দলীয় কর্মী-সমর্থক এমনকি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মনোনয়নের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হতে পারে।

বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের সামনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে জামায়াতের। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদেরও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে।

চার সিটিতে প্রার্থী ঘোষণা

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় শাখাগুলো থেকে পাঠানো তিন সদস্যের প্যানেল যাচাই করে সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে চারটি সিটির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করতে বলা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মহানগর জামায়াতের আমির আবদুল জব্বার। গাজীপুরে আলোচনায় রয়েছেন তুরস্কে কর্মরত শিক্ষক ও ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা হাফিজুর রহমান।

চট্টগ্রাম সিটিতে দলটির সম্ভাব্য প্রার্থী নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালী। রংপুর সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মহানগর আমির এ টি এম আজম খান।

ঢাকার দুই সিটিতে আলোচনায় যারা

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিবেচনায় রয়েছেন। আর দক্ষিণ সিটিতে আলোচনায় আছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি আবু সাদিক, যিনি সাদিক কায়েম নামে পরিচিত।

তাঁকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা থাকলেও জামায়াত নেতাদের দাবি, নির্বাচনের সময় তাঁর ছাত্রত্ব ও ছাত্রসংগঠনের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে, ফলে সাংগঠনিকভাবে প্রার্থী হতে বাধা থাকবে না।

এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব

জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে এনসিপির পক্ষ থেকে দলীয় মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে যৌথ প্রার্থী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে দলটির শীর্ষ পর্যায়ে এ নিয়ে আপত্তি রয়েছে।

জামায়াতের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁকে সমর্থন দিলে রাজনৈতিক দায়ভার জামায়াতের ওপরও পড়তে পারে।”

কেন এককভাবে নির্বাচন?

জামায়াত নেতাদের মতে, অতীতে বিএনপির সঙ্গে জোটে থেকেও স্থানীয় নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশ নিয়ে তারা তুলনামূলক ভালো ফল পেয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতাই এবার একক কৌশলের পেছনে বড় কারণ।

দলটির অভ্যন্তরে ধারণা তৈরি হয়েছে যে, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাদের জনসমর্থন বেড়েছে এবং তারা এখন নিজেদের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে দেখছে। ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বতন্ত্র অবস্থান জোরদার করতে চায় দলটি।

একক প্রস্তুতিতে এনসিপিও

জোটের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে না দিলেও এনসিপিও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আলাদা প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যে ঢাকার দুই সিটিসহ কয়েকটি সিটিতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি।

এনসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম বলেছেন, জোটগত নাকি এককভাবে নির্বাচন হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। তবে প্রস্তুতির স্বার্থে তারা এখনই প্রার্থী ঘোষণা করছে।

দ্রুত নির্বাচন চায় জামায়াত

বর্তমানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। জামায়াতের দাবি, প্রশাসকদের রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন এবং প্রশাসকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধের দাবি জানিয়েছে দলটি।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতেই স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব থাকা উচিত।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট ঘোষণা না এলেও রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যে মাঠ গোছাতে শুরু করেছে। শেষ পর্যন্ত জোটগত সমঝোতা হবে নাকি আলাদা লড়াই—তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনী তফসিলের ওপর।