ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব। সঙ্গীত, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। উদ্বোধনের পরই শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা, যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সিনিয়র লিডারশিপ টিমের সদস্যরাও অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে নববর্ষের আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।

BRAC University 3

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ডেভিড ডাউল্যান্ড, স্টুডেন্ট লাইফের জয়েন্ট ডিরেক্টর তাহসিনা রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিস অব কমিউনিকেশন্সের ডিরেক্টর খায়রুল বাশার।

পরে রমনার বটমূলের আদলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে “বটতলার বৈশাখী বরণ” আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে অডিটোরিয়াম লবিতে ফ্ল্যাশ মব, ফুটবল মাঠে গ্রামীণ খেলাধুলা এবং মাল্টিপারপাস হলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে চলে বৈশাখী মেলা, যা রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে।

আগামীকাল (১৬ এপ্রিল) উৎসবের দ্বিতীয় দিনে প্রদর্শিত হবে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র “আয়নাবাজি”। এরপর থাকবে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ধামাইল নৃত্য, মঞ্চনাটক “সৎ পাত্রের সন্ধানে”, রম্য বিতর্ক এবং “কথোপকথন: বনলতা এক্সপ্রেস” শীর্ষক অনুষ্ঠান। দিনশেষে মূকাভিনয় ও পুতুল নাচসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে পুরো দিনব্যাপী চলবে বৈশাখী মেলা।

বৈশাখী উৎসবের আয়োজন করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ক্লাব সংগঠন এবং অফিস অব কমিউনিকেশন্স। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উৎসব শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চা ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহায়ক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব। সঙ্গীত, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। উদ্বোধনের পরই শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা, যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সিনিয়র লিডারশিপ টিমের সদস্যরাও অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে নববর্ষের আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।

BRAC University 3

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ডেভিড ডাউল্যান্ড, স্টুডেন্ট লাইফের জয়েন্ট ডিরেক্টর তাহসিনা রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিস অব কমিউনিকেশন্সের ডিরেক্টর খায়রুল বাশার।

পরে রমনার বটমূলের আদলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে “বটতলার বৈশাখী বরণ” আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে অডিটোরিয়াম লবিতে ফ্ল্যাশ মব, ফুটবল মাঠে গ্রামীণ খেলাধুলা এবং মাল্টিপারপাস হলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে চলে বৈশাখী মেলা, যা রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে।

আগামীকাল (১৬ এপ্রিল) উৎসবের দ্বিতীয় দিনে প্রদর্শিত হবে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র “আয়নাবাজি”। এরপর থাকবে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ধামাইল নৃত্য, মঞ্চনাটক “সৎ পাত্রের সন্ধানে”, রম্য বিতর্ক এবং “কথোপকথন: বনলতা এক্সপ্রেস” শীর্ষক অনুষ্ঠান। দিনশেষে মূকাভিনয় ও পুতুল নাচসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে পুরো দিনব্যাপী চলবে বৈশাখী মেলা।

বৈশাখী উৎসবের আয়োজন করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ক্লাব সংগঠন এবং অফিস অব কমিউনিকেশন্স। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উৎসব শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চা ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহায়ক।