ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির খতিয়ান তলব, দুই আমলের অনিয়ম খুঁজছে সংসদীয় কমিটি ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্প, বদলাতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি পর্তুগালের জার্সিতে রোনাল্ডোর পাঁচ রেকর্ড, ভাঙা কি অসম্ভব? রাতে দাঁতে তীব্র ব্যথা? চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে যা করবেন একাদশে ভর্তি শিক্ষার্থীদের অনলাইন নিবন্ধন শুরু ১২ নভেম্বর ভুটানকে হারিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের ৭ নভেম্বর ছুটি পেলেন পোশাক শ্রমিকরা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা, যেভাবে আবেদন করবেন শিশু-কিশোরদের মেধা-প্রতিভায় গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, জামায়াতের সঙ্গে জোট ও বিস্তর অভিযোগ

ড্রাগন ফল কারা খাবেন কারা খাবেন না, জানালেন চিকিৎসকরা

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৩০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ড্রাগন ফল। স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছে একটি জনপ্রিয় ফল। এর অনন্য স্বাদ, আকর্ষণীয় রং এবং ভরপুর পুষ্টিগুণের কারণে অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে এটি রাখেন। তবে এর অসংখ্য উপকারিতা থাকলেও কিছু মানুষের জন্য এটি ক্ষতিকরও হতে পারে। তাই এই ফলের উপকারিতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দুটিই জানা জরুরি।

ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই উপাদানগুলো— শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, রক্তাল্পতা কমাতে সাহায্য করে (আয়রনের কারণে), হজমের সমস্যা দূর করে (ফাইবারের কারণে), ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।

যাঁদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারা খালি পেটে ড্রাগন ফল না খাওয়াই ভালো। এতে পেট ফাঁপা, ডায়েরিয়া বা অস্বস্তি হতে পারে। যাঁদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত নয়। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের নিয়মিত খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব বা অ্যালার্জির মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন আধা মাঝারি আকারের ড্রাগন ফল (প্রায় ১০০-১৫০ গ্রাম) যথেষ্ট। শিশুদের জন্য ৫০-৭৫ গ্রাম পর্যন্ত খাওয়া নিরাপদ। যাঁরা হজমে সমস্যা অনুভব করেন, তাঁরা এটি দই বা অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। পর্যাপ্ত পানি না খেলে অতিরিক্ত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে, তাই ড্রাগন ফল খাওয়ার সময় পানিয় পান জরুরি।

একনজরে ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

এই ফল শরীরে শক্তি জোগায়, এটা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, ত্বককে উজ্জ্বল রাখে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সহায়ক হতে পারে এই ফল। ফেলে, অ্যান্টি-এজিং প্রভাব।

ড্রাগন ফল নিঃসন্দেহে একটি সুপারফ্রুট, তবে ‘অতিরিক্ত সবই ক্ষতিকর’, এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য। যাঁরা কিডনির সমস্যা বা হজমজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের বিশেষ সতর্ক হয়ে এই ফল খেতে হবে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় খেলে এটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ড্রাগন ফল কারা খাবেন কারা খাবেন না, জানালেন চিকিৎসকরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৩০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

ড্রাগন ফল। স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছে একটি জনপ্রিয় ফল। এর অনন্য স্বাদ, আকর্ষণীয় রং এবং ভরপুর পুষ্টিগুণের কারণে অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে এটি রাখেন। তবে এর অসংখ্য উপকারিতা থাকলেও কিছু মানুষের জন্য এটি ক্ষতিকরও হতে পারে। তাই এই ফলের উপকারিতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দুটিই জানা জরুরি।

ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই উপাদানগুলো— শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, রক্তাল্পতা কমাতে সাহায্য করে (আয়রনের কারণে), হজমের সমস্যা দূর করে (ফাইবারের কারণে), ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।

যাঁদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারা খালি পেটে ড্রাগন ফল না খাওয়াই ভালো। এতে পেট ফাঁপা, ডায়েরিয়া বা অস্বস্তি হতে পারে। যাঁদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত নয়। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের নিয়মিত খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব বা অ্যালার্জির মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন আধা মাঝারি আকারের ড্রাগন ফল (প্রায় ১০০-১৫০ গ্রাম) যথেষ্ট। শিশুদের জন্য ৫০-৭৫ গ্রাম পর্যন্ত খাওয়া নিরাপদ। যাঁরা হজমে সমস্যা অনুভব করেন, তাঁরা এটি দই বা অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। পর্যাপ্ত পানি না খেলে অতিরিক্ত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে, তাই ড্রাগন ফল খাওয়ার সময় পানিয় পান জরুরি।

একনজরে ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

এই ফল শরীরে শক্তি জোগায়, এটা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, ত্বককে উজ্জ্বল রাখে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সহায়ক হতে পারে এই ফল। ফেলে, অ্যান্টি-এজিং প্রভাব।

ড্রাগন ফল নিঃসন্দেহে একটি সুপারফ্রুট, তবে ‘অতিরিক্ত সবই ক্ষতিকর’, এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য। যাঁরা কিডনির সমস্যা বা হজমজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের বিশেষ সতর্ক হয়ে এই ফল খেতে হবে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় খেলে এটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা।