ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুই কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাজী আনোয়ারের প্রশ্ন—‘আমরা কোথায় যাব?’ সরকারের আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার করল সিজেপি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা, পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন চার মাসেই ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে বিএনপি সরকার পূর্বাচলে একবার ভিটেমাটি হারিয়েছিলেন, তিন দশক পর আবার উচ্ছেদের শঙ্কা ৬২১ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভর্তি বন্ধের নির্দেশ ‘ককরোচ’ আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিউটি ও ব্রাইডাল ইন্ডাস্ট্রিকে বিশ্বমঞ্চে নিতে ঢাকায় সেলিনা মনির স্বনির্ভর, প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: আইনমন্ত্রী

আলুর উচ্চ মূল্য, অধিক চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা

সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি বছর বাজারে আলুর উচ্চ মূল্য থাকায় আলু চাষ করে আরও লাভবান হওয়ার আশায় বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার অধিক পরিমাণে আলু চাষে ঝুঁকছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আলু উৎপাদনকারী জেলা জয়পুরহাটের কৃষকরা। চলতি আমন মৌসুমের জমির ধান কাটায় ফাঁকা জমিসহ উচু জমিতে এখন আলুর বীজ রোপণ করছেন কৃষকরা।

জেলা সদরের পৌর এলাকা, মোহাম্মদাবাদ,আমদই, পুরানাপৈল, জামালপুর, বম্বু ইউনিয়ন ও পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা, ধরঞ্জী, আয়মারসুলপুর, বালিঘাটা সহ কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষকরা আগাম আলু চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের পল্লী বিদুৎ একালার কৃষক আহসান হাবিব বলেন, আলু চাষ করে যত তাড়াতারি বাজারে আলু উঠাতে পারবো তত লাভ বেশি হবে। তাই আগে ভাগেই আলু আবাদ করছি। এবার বীজের দাম একটু বেশি, তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্য বছরের তুলনায় এবার লাভ বেশী হবে।

পলিকাদোয়া গ্রামের কৃষক জুয়েল বলেন, এবার ৭ বিঘা জমিতে আলু চাষের প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রতি বিঘা জমিতে আলু রোপনে খরচ হচ্ছে ৩৫-৪০ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হবে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মন। বাজারে আগে আলু তুলতে পারলে প্রতি মন আলু বিক্রি হবে প্রায় ৩০ হাজার ৫০০ টাকা টাকা দরে ।

এদিকে বর্তমানে আমন ধান কর্তন পুরোদমে শুরু হওয়ায় গ্রামাঞ্চলে কৃষি কাজে নিয়োজিত থাকা শ্রমিকদের আলু চাষের কারনে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। পুরুষের পাশাপাশি এ কাজে নারী শ্রমিকেরাও অংশ গ্রহন করছে। আলুর জমিতে কাজ করা শ্রমিক কেশবপুর গ্রামের মুনছুর জানান, বেশ কিছুদিন ধরে বেকার বসে থেকে দিন কাটছিল। তবে আলু চাষ শুরু হওয়ায় বর্তমানে প্রতিদিনই কাজ পাচ্ছি।

জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাহেলা পারভীন বাংলা টাইমসকে জানান, আলুর বাজার ভালো থাকায় এবার জেলায় আলু উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবছর চলতি মৌসুমে আলু ঊৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে ৯ লাখ ২০ হাজার মেঃটন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আলুর উচ্চ মূল্য, অধিক চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

চলতি বছর বাজারে আলুর উচ্চ মূল্য থাকায় আলু চাষ করে আরও লাভবান হওয়ার আশায় বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার অধিক পরিমাণে আলু চাষে ঝুঁকছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আলু উৎপাদনকারী জেলা জয়পুরহাটের কৃষকরা। চলতি আমন মৌসুমের জমির ধান কাটায় ফাঁকা জমিসহ উচু জমিতে এখন আলুর বীজ রোপণ করছেন কৃষকরা।

জেলা সদরের পৌর এলাকা, মোহাম্মদাবাদ,আমদই, পুরানাপৈল, জামালপুর, বম্বু ইউনিয়ন ও পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা, ধরঞ্জী, আয়মারসুলপুর, বালিঘাটা সহ কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষকরা আগাম আলু চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের পল্লী বিদুৎ একালার কৃষক আহসান হাবিব বলেন, আলু চাষ করে যত তাড়াতারি বাজারে আলু উঠাতে পারবো তত লাভ বেশি হবে। তাই আগে ভাগেই আলু আবাদ করছি। এবার বীজের দাম একটু বেশি, তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্য বছরের তুলনায় এবার লাভ বেশী হবে।

পলিকাদোয়া গ্রামের কৃষক জুয়েল বলেন, এবার ৭ বিঘা জমিতে আলু চাষের প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রতি বিঘা জমিতে আলু রোপনে খরচ হচ্ছে ৩৫-৪০ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হবে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মন। বাজারে আগে আলু তুলতে পারলে প্রতি মন আলু বিক্রি হবে প্রায় ৩০ হাজার ৫০০ টাকা টাকা দরে ।

এদিকে বর্তমানে আমন ধান কর্তন পুরোদমে শুরু হওয়ায় গ্রামাঞ্চলে কৃষি কাজে নিয়োজিত থাকা শ্রমিকদের আলু চাষের কারনে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। পুরুষের পাশাপাশি এ কাজে নারী শ্রমিকেরাও অংশ গ্রহন করছে। আলুর জমিতে কাজ করা শ্রমিক কেশবপুর গ্রামের মুনছুর জানান, বেশ কিছুদিন ধরে বেকার বসে থেকে দিন কাটছিল। তবে আলু চাষ শুরু হওয়ায় বর্তমানে প্রতিদিনই কাজ পাচ্ছি।

জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাহেলা পারভীন বাংলা টাইমসকে জানান, আলুর বাজার ভালো থাকায় এবার জেলায় আলু উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবছর চলতি মৌসুমে আলু ঊৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে ৯ লাখ ২০ হাজার মেঃটন।