দেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপে পূজা, নিরাপত্তায় পুলিশের নির্দেশনা
আজ বোধন, কাল থেকে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। পুরাণ অনুসারে, অকালবোধনের মাধ্যমে নিদ্রিত দেবীকে জাগ্রত করার শাস্ত্রীয় আচার পালনের পর আগামীকাল শুক্রবার মহাষষ্ঠীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে মূল দুর্গোৎসব।
এ বছর মহাসপ্তমীর তিথি দুদিন পড়ায় ছয় দিন ধরে চলবে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। আগামী শনিবার মহাসপ্তমী, রোববার মহাসপ্তমীর অধিক পূজা, সোমবার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা এবং মঙ্গলবার মহানবমী পালিত হবে। বুধবার বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
প্রচলিত নিয়মে মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত পাঁচ দিন দুর্গাপূজা উদযাপিত হলেও তিথির বিশেষ বিন্যাসের কারণে এবার উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা এক দিন বেড়েছে।
দেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপে পূজা
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় মণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে ৪৯৬টি।
তবে ঢাকা মহানগরীতে রাস্তার ওপর পূজা আয়োজনের অনুমতি না পাওয়ায় এবার মণ্ডপের সংখ্যা তিনটি কমে দাঁড়িয়েছে ২৫৮টিতে।
নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা
দুর্গোৎসব নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজক ও দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ সদরদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো খবরের সত্যতা যাচাই না করে লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা ও অগ্নিনির্বাপণযন্ত্র স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। প্রতিমা বিসর্জনের সময় নির্ধারিত পথ অনুসরণ করার পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের আলাদা পোশাক, দৃশ্যমান পরিচয়পত্র ও ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লেখা আর্মব্যান্ড নিশ্চিত করতে আয়োজকদের বলা হয়েছে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান
উৎসব চলাকালে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে পুলিশ। অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আজান ও নামাজের সময় মসজিদসংলগ্ন পূজামণ্ডপে এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় শব্দযন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখতে হবে। পাশাপাশি আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকেও বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে কয়েকটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে প্রকাশিত তথ্যে নম্বরগুলো উল্লেখ করা হয়নি।























