ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভগ্নিপতির  সাথে দেখা করে বাড়ি ফিরা হলোনা বিকাশের ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৩ রূপগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের উন্নয়নে নতুন ভবন ও রেকর্ড রুম নির্মাণের আশ্বাস আজ বোধন, কাল থেকে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা ব্যাংক লুটের দায় জনগণ নেবে কেন, প্রশ্ন সেমিনারে বীর মুক্তিযোদ্ধা জিতেন্দ্রলাল দত্তের ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তরুণদের শক্তিশালী করতে চায় সরকার: এ্যানি ক্লাসরুম থেকে আর ফেরা হলো না, ধসে পড়ল স্কুলভবন—ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে স্বপ্নগুলো সারের ডিলার নিয়োগে দলীয় প্রভাবের অভিযোগ গোলাম পরওয়ারের কৃষিতে প্রণোদনা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, ঝালকাঠির বাজারে চাষের মাছের দাম বেড়েছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রাখতে সাগর ও নদ-নদীতে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে ঝালকাঠির মাছের বাজারে। বাজারে কমেছে সাগর ও স্থানীয় নদীর মাছের সরবরাহ। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে ভরসা এখন মূলত চাষের মাছ। তবে সরবরাহের চাপে গত এক সপ্তাহে এসব মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে চাষের মাছই বেশি বিক্রি হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও সাগরের মাছের সরবরাহ সীমিত থাকায় ক্রেতাদের বিকল্প হিসেবে চাষের মাছ কিনতে হচ্ছে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

বাজারে আকারভেদে প্রতি কেজি চাষের পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকায়। রুই মাছের দাম ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং কাতল বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। এ ছাড়া কই মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, সিলভার কার্প ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রতি কেজি শিং মাছের দাম ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৩২০ টাকা, কোরাল ৮০০ টাকা এবং চাপিলা ১৩০ টাকা। বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০০ থেকে এক হাজার টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, নদী ও সাগরের মাছ বাজারে না থাকায় চাষের মাছের ওপর ক্রেতাদের নির্ভরতা বেড়েছে। চাহিদার এই চাপের কারণে গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর প্রভাবে স্থানীয় বাজারে মাছের সরবরাহ ও দামে পরিবর্তন এসেছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে চাষের মাছের বাড়তি দাম ক্রেতাদের জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, ঝালকাঠির বাজারে চাষের মাছের দাম বেড়েছে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রাখতে সাগর ও নদ-নদীতে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে ঝালকাঠির মাছের বাজারে। বাজারে কমেছে সাগর ও স্থানীয় নদীর মাছের সরবরাহ। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে ভরসা এখন মূলত চাষের মাছ। তবে সরবরাহের চাপে গত এক সপ্তাহে এসব মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে চাষের মাছই বেশি বিক্রি হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও সাগরের মাছের সরবরাহ সীমিত থাকায় ক্রেতাদের বিকল্প হিসেবে চাষের মাছ কিনতে হচ্ছে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

বাজারে আকারভেদে প্রতি কেজি চাষের পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকায়। রুই মাছের দাম ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং কাতল বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। এ ছাড়া কই মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, সিলভার কার্প ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রতি কেজি শিং মাছের দাম ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৩২০ টাকা, কোরাল ৮০০ টাকা এবং চাপিলা ১৩০ টাকা। বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০০ থেকে এক হাজার টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, নদী ও সাগরের মাছ বাজারে না থাকায় চাষের মাছের ওপর ক্রেতাদের নির্ভরতা বেড়েছে। চাহিদার এই চাপের কারণে গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর প্রভাবে স্থানীয় বাজারে মাছের সরবরাহ ও দামে পরিবর্তন এসেছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে চাষের মাছের বাড়তি দাম ক্রেতাদের জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে।