ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতে ঘুম নেই, সকালে ক্লান্তি! ‘সার্কাডিয়ান ডিপ্রেশন’-এর লক্ষণ চিনবেন যেভাবে কৃত্রিম রুম ফ্রেশনার নয়, ঘর মাতুক ৬ সুগন্ধি ফুলের গাছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবির আভাস, সমর্থন নেমে ৩৬ শতাংশে নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন শরীরী দৃশ্যে আপত্তি রশ্মিকার গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের উদ্যোগ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পাসওয়ার্ড ছাড়াই সার্ভারে হামলার শঙ্কা, সতর্কতায় কয়েকটি সাইট স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম সেচ পাম্প সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যসচিব

ফেসবুকের প্রেমের টানে ভারত থেকে জয়পুরহাটে দুই ভাই

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৪০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়, সেখান থেকে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের টানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের জয়পুরহাটে এসেছেন দুই সহোদর যুবক। প্রেমিকাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে তাঁদের বাংলাদেশে আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কালাই উপজেলার একটি গ্রামে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামে সানোয়ার হোসেনের বাড়িতে ওই দুই ভারতীয় যুবকের দেখা মেলে।

তাঁরা হলেন ফারুক চাপরাশি ও তাঁর ভাই মুর্শিদ চাপরাশি। তাঁদের পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য অনুযায়ী, দুজনই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুর এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিনপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের মেয়ে পূর্ণিমার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় ফারুক চাপরাশির। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে বিয়েতে রূপ দিতে গত ৮ অক্টোবর কলকাতা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশে আসেন ফারুক ও তাঁর ভাই মুর্শিদ। বর্তমানে তাঁরা পূর্ণিমার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

দুই ভারতীয় যুবকের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁদের দেখতে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। তবে পূর্ণিমা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ওই দুই যুবকের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয়দের কথা বলতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের গলা কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছেন বলে পূর্ণিমার ভাই লিখনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পূর্ণিমার বাবা সানোয়ার হোসেন বলেন, “এখন ছেলে-মেয়েরা মোবাইল ফোনে প্রেম-ভালোবাসা করে। ওই ছেলে ও তাঁর বড় ভাই পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বেনাপোল হয়ে আমার বাড়িতে এসেছেন। আমরাও পাসপোর্ট-ভিসা করার ব্যবস্থা করেছি। ভিসা পেলে ভারতে গিয়ে তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিয়ের অনুষ্ঠান করা হবে। তখন আপনাদেরও জানানো হবে।”

এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, “আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। আমরা খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চললেও দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফেসবুকের প্রেমের টানে ভারত থেকে জয়পুরহাটে দুই ভাই

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৪০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়, সেখান থেকে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের টানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের জয়পুরহাটে এসেছেন দুই সহোদর যুবক। প্রেমিকাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে তাঁদের বাংলাদেশে আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কালাই উপজেলার একটি গ্রামে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামে সানোয়ার হোসেনের বাড়িতে ওই দুই ভারতীয় যুবকের দেখা মেলে।

তাঁরা হলেন ফারুক চাপরাশি ও তাঁর ভাই মুর্শিদ চাপরাশি। তাঁদের পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য অনুযায়ী, দুজনই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুর এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিনপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের মেয়ে পূর্ণিমার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় ফারুক চাপরাশির। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে বিয়েতে রূপ দিতে গত ৮ অক্টোবর কলকাতা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশে আসেন ফারুক ও তাঁর ভাই মুর্শিদ। বর্তমানে তাঁরা পূর্ণিমার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

দুই ভারতীয় যুবকের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁদের দেখতে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। তবে পূর্ণিমা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ওই দুই যুবকের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয়দের কথা বলতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের গলা কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছেন বলে পূর্ণিমার ভাই লিখনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পূর্ণিমার বাবা সানোয়ার হোসেন বলেন, “এখন ছেলে-মেয়েরা মোবাইল ফোনে প্রেম-ভালোবাসা করে। ওই ছেলে ও তাঁর বড় ভাই পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বেনাপোল হয়ে আমার বাড়িতে এসেছেন। আমরাও পাসপোর্ট-ভিসা করার ব্যবস্থা করেছি। ভিসা পেলে ভারতে গিয়ে তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিয়ের অনুষ্ঠান করা হবে। তখন আপনাদেরও জানানো হবে।”

এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, “আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। আমরা খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চললেও দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।