অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতির কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড। যৌথভাবে তাঁদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস তাঁদের নাম ঘোষণা করে।
অর্থনীতিতে কখনো মন্দা দেখা দেয়, আবার কখনো দ্রুত প্রবৃদ্ধি ঘটে। এই ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে সুদের হার, সরকারি ব্যয় ও করনীতির মতো পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মন্দার সময় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে সুদের হার কমানো বা সরকারি ব্যয় বাড়ানোর মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়। অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেলে চাহিদার চাপ কমাতে সুদের হার বাড়ানোসহ বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করা হয়।
১৯৭০-এর দশকে তেল সংকটের পর অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ বেকারত্ব ও মূল্যস্ফীতি প্রচলিত অর্থনৈতিক নীতির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে। তখন অর্থনীতির ওঠানামা সামাল দিতে আরও কার্যকর নীতিকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে।
রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ডের গবেষণায় পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত কীভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, তা গুরুত্ব পেয়েছে। পরিবার কীভাবে সঞ্চয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে পণ্যের দাম নির্ধারণ করে এবং এসব সিদ্ধান্তের সঙ্গে অর্থনৈতিক নীতির সম্পর্ক কী—এসব বিষয় তাঁদের গবেষণায় বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নীতি সম্পর্কে আগাম ধারণা মানুষের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। নীতিনির্ধারকেরা কী পদক্ষেপ নিতে পারেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা পেলে পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তাদের সঞ্চয়, ব্যয় ও বিনিয়োগের পরিকল্পনা সে অনুযায়ী সাজাতে পারে।
অর্থনীতির এই পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝার মাধ্যমে মন্দা মোকাবিলা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার নীতি প্রণয়নে সহায়তা পাওয়া যায়। তাঁদের গবেষণা সামষ্টিক অর্থনীতির নীতিনির্ধারণ ও অর্থনৈতিক পূর্বাভাসের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
সম্পাদনা নোট: প্রকাশের আগে ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণাটি রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের আনুষ্ঠানিক সূত্রে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
























