ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:১৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো চেষ্টা সরকার করছে না, এমন কোনো ইচ্ছাও নেই।

সোমবার (৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্দালিভ রহমানকে অভিনন্দন জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার। পরে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, অপতথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্যের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তিনি জানান, এ বিষয়ে সরকার সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করছে। সাংবাদিকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে সাংবাদিকদের আর্থিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম মালিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাংবাদিকতার নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলায় ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের অফিস অব কমিউনিকেশনস বা ‘অফকম’ এবং বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলে জানান সারাহ কুক।

বৈঠকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা চ্যালেঞ্জ, তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:১৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো চেষ্টা সরকার করছে না, এমন কোনো ইচ্ছাও নেই।

সোমবার (৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্দালিভ রহমানকে অভিনন্দন জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার। পরে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, অপতথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্যের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তিনি জানান, এ বিষয়ে সরকার সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করছে। সাংবাদিকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে সাংবাদিকদের আর্থিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম মালিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাংবাদিকতার নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলায় ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের অফিস অব কমিউনিকেশনস বা ‘অফকম’ এবং বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলে জানান সারাহ কুক।

বৈঠকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা চ্যালেঞ্জ, তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।