ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাইবার সুরক্ষা আইনের অপব্যবহার করবে না সরকার: তথ্য উপদেষ্টা গুঁড়িয়ে দেওয়া রাড্ডা সেন্টারের গেটে ত্রিপল টানিয়ে টিকাদান, ভোগান্তিতে শিশু-মায়েরা মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ৪ জাসদ কার্যালয়ে অভিযান, নিষিদ্ধ আ’ লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আটক নবায়নযোগ্য জ্বালানি কৌশলপত্র বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ খাত: প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে দুর্গাপূজার আলোকসজ্জা সীমিত রাখার আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী যুবকের মৃত্যু, বাস জব্দ গ্রিড উপকেন্দ্রে ব্রেকার বিস্ফোরণ,নোয়াখালী শহরে বিদ্যুৎ বিপর্যয় কেশবপুরে স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি: প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন আইসিসিবিতে তিন আয়োজন ঘিরে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

নবায়নযোগ্য জ্বালানি কৌশলপত্র বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ খাত: প্রতিমন্ত্রী

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৩০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০ বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, এ কৌশলপত্র বাস্তবায়ন করা না গেলে দেশের বিদ্যুৎ খাতের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

শনিবার সকালে যশোরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত শক্তিশালী করা গেলে গ্যাস, কয়লা ও তেলের মতো প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হতো। কিন্তু অতীতের সরকারগুলো এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ খাতে প্রত্যাশিত গুরুত্ব না দেওয়ায় সম্ভাবনাময় অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি বলেন, “এবার আমাদের সফল হতে হবে।” দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ খাতের স্থিতিশীলতার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও অর্থায়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও মফস্বল পর্যায়ের উদ্যোক্তারা যাতে সহজে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পেতে পারেন, সে জন্য অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে এ খাতে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মফস্বলের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।

দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, খুলনা বিভাগ কৃষিনির্ভর এলাকা। পর্যায়ক্রমে এ অঞ্চলের সেচ পাম্পগুলো সৌরশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সৌরবিদ্যুৎনির্ভর সেচ ব্যবস্থা চালু হলে কৃষকদের ডিজেল ও প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমবে। এতে সেচ ও উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি কৃষক ও ভোক্তা উভয়েই উপকৃত হবেন বলে জানান তিনি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নবায়নযোগ্য জ্বালানি কৌশলপত্র বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ খাত: প্রতিমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৩০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০ বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, এ কৌশলপত্র বাস্তবায়ন করা না গেলে দেশের বিদ্যুৎ খাতের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

শনিবার সকালে যশোরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত শক্তিশালী করা গেলে গ্যাস, কয়লা ও তেলের মতো প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হতো। কিন্তু অতীতের সরকারগুলো এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ খাতে প্রত্যাশিত গুরুত্ব না দেওয়ায় সম্ভাবনাময় অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি বলেন, “এবার আমাদের সফল হতে হবে।” দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ খাতের স্থিতিশীলতার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও অর্থায়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও মফস্বল পর্যায়ের উদ্যোক্তারা যাতে সহজে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পেতে পারেন, সে জন্য অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে এ খাতে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মফস্বলের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।

দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, খুলনা বিভাগ কৃষিনির্ভর এলাকা। পর্যায়ক্রমে এ অঞ্চলের সেচ পাম্পগুলো সৌরশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সৌরবিদ্যুৎনির্ভর সেচ ব্যবস্থা চালু হলে কৃষকদের ডিজেল ও প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমবে। এতে সেচ ও উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি কৃষক ও ভোক্তা উভয়েই উপকৃত হবেন বলে জানান তিনি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।