নবায়নযোগ্য জ্বালানি কৌশলপত্র বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ খাত: প্রতিমন্ত্রী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৩০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০ বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, এ কৌশলপত্র বাস্তবায়ন করা না গেলে দেশের বিদ্যুৎ খাতের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
শনিবার সকালে যশোরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত শক্তিশালী করা গেলে গ্যাস, কয়লা ও তেলের মতো প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হতো। কিন্তু অতীতের সরকারগুলো এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ খাতে প্রত্যাশিত গুরুত্ব না দেওয়ায় সম্ভাবনাময় অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি।
তিনি বলেন, “এবার আমাদের সফল হতে হবে।” দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ খাতের স্থিতিশীলতার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।
নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও অর্থায়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও মফস্বল পর্যায়ের উদ্যোক্তারা যাতে সহজে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পেতে পারেন, সে জন্য অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে এ খাতে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মফস্বলের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।
দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, খুলনা বিভাগ কৃষিনির্ভর এলাকা। পর্যায়ক্রমে এ অঞ্চলের সেচ পাম্পগুলো সৌরশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সৌরবিদ্যুৎনির্ভর সেচ ব্যবস্থা চালু হলে কৃষকদের ডিজেল ও প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমবে। এতে সেচ ও উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি কৃষক ও ভোক্তা উভয়েই উপকৃত হবেন বলে জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
























