ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘চুক্তি নয়তো নরক’, জাতিসংঘে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের পিপিআর-এফএমডি নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি, সীমান্তে বাড়াতে হবে নজরদারি: প্রতিমন্ত্রী টুকু ভুটান ও মালদ্বীপের শীর্ষ নেতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক শ্রীমঙ্গলে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজি সংঘর্ষে নিহত তিন শেষ ভাষণে গুতেরেসের সতর্কবার্তা: শক্তি নয়, শান্তির জন্য চাই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে? রামপালের বিতর্কিত দরপত্র বাতিলের দাবি বিশেষজ্ঞদের জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম আদালতের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই রাতে পুকুরে মাছ ধরেন ইউএনও

‘চুক্তি নয়তো নরক’, জাতিসংঘে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে নিজের অবস্থান আরও কঠোর করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি ইরানের সামনে চুক্তি অথবা আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প তুলে ধরেছেন।

মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি হতে পারে, যা দেশটির পুনর্গঠনে সহায়তা করবে এবং তাকে আরও শক্তিশালী ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার সুযোগ তৈরি করবে। তবে সেই পথ বেছে না নিলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

ট্রাম্পের ভাষায়, “হয় শান্তিচুক্তি হবে অথবা ইরানকে নরকে পাঠাব।”

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে এখন একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে—ইরানের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি করা হবে কি না, যা দেশটির ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখবে, নাকি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্রাম্প দাবি করেন, চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ খোলা রয়েছে এবং ইরানেরও এতে সম্মত হওয়ার যৌক্তিক কারণ আছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ৩ নভেম্বর মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে।

তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, নির্বাচনের ঠিক পরেই আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, কারণ চুক্তি না করার কোনো যৌক্তিক কারণ তাদের নেই।”

ট্রাম্পের ভাষণের সময় ইরানি প্রতিনিধিদের ওয়াকআউট

ট্রাম্প যখন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে ওঠেন, তখন ইরানের একজন প্রতিনিধি ছাড়া দেশটির অন্য প্রতিনিধিরা অধিবেশন থেকে বেরিয়ে যান।

এর আগে ভাষণের শুরুতে গত ছয় মাসের ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি সামরিক পদক্ষেপের হুমকিও দেন।

ট্রাম্পের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক সমঝোতার পাশাপাশি কঠোর পদক্ষেপের বিকল্পও যুক্তরাষ্ট্রের বিবেচনায় রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘চুক্তি নয়তো নরক’, জাতিসংঘে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে নিজের অবস্থান আরও কঠোর করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি ইরানের সামনে চুক্তি অথবা আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প তুলে ধরেছেন।

মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি হতে পারে, যা দেশটির পুনর্গঠনে সহায়তা করবে এবং তাকে আরও শক্তিশালী ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার সুযোগ তৈরি করবে। তবে সেই পথ বেছে না নিলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

ট্রাম্পের ভাষায়, “হয় শান্তিচুক্তি হবে অথবা ইরানকে নরকে পাঠাব।”

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে এখন একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে—ইরানের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি করা হবে কি না, যা দেশটির ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখবে, নাকি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্রাম্প দাবি করেন, চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ খোলা রয়েছে এবং ইরানেরও এতে সম্মত হওয়ার যৌক্তিক কারণ আছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ৩ নভেম্বর মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে।

তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, নির্বাচনের ঠিক পরেই আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, কারণ চুক্তি না করার কোনো যৌক্তিক কারণ তাদের নেই।”

ট্রাম্পের ভাষণের সময় ইরানি প্রতিনিধিদের ওয়াকআউট

ট্রাম্প যখন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে ওঠেন, তখন ইরানের একজন প্রতিনিধি ছাড়া দেশটির অন্য প্রতিনিধিরা অধিবেশন থেকে বেরিয়ে যান।

এর আগে ভাষণের শুরুতে গত ছয় মাসের ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি সামরিক পদক্ষেপের হুমকিও দেন।

ট্রাম্পের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক সমঝোতার পাশাপাশি কঠোর পদক্ষেপের বিকল্পও যুক্তরাষ্ট্রের বিবেচনায় রয়েছে।