স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সিইসির বার্তা
কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না কমিশন

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:০১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে পুলিশের ওপর আস্থা রাখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে পুলিশকে কমিশন থেকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ অডিটরিয়ামে ‘নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। একইভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা পুলিশেরও সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে কমিশনের অবস্থান পরিষ্কার—পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ‘আওয়ার কমিটমেন্ট ইজ টোটাল।’ স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে কাজ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সময়কার পরিস্থিতির তুলনায় এখনকার অবস্থা খারাপ নয়। তাই নির্বাচন আয়োজন নিয়ে তিনি আশাবাদী। একই সঙ্গে পুলিশের ওপর কমিশনের আস্থার কথাও জানান তিনি।
সিইসি আরও বলেন, স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেবে বলে তিনি আশা করছেন।
এদিকে দলীয় সরকার ক্ষমতায় থাকায় পুলিশ চাপমুক্তভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করতে পারবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হাসান ফকির বলেন, ‘এখন দলীয় সরকার, কিন্তু গণতান্ত্রিক সরকার।’
তিনি জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ অনুযায়ীই পুলিশ নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবে।
গত ছয় মাসে পুলিশের ভাবমূর্তি ফেরানোর অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আইজিপি বলেন, ‘আমি তো মনে করি, আমাদের সাফল্য শতভাগ।’
রাজারবাগ পুলিশ অডিটরিয়ামের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সময় আইন ও বিধি মেনে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতিও ছিল এ প্রশিক্ষণের অন্যতম লক্ষ্য।





















