ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝুঁকির পাহাড়ে অনিশ্চিত জীবন, তবু ছাড়তে পারছেন না বসতি বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের ঘাস বিক্রি! এক টুকরোর দাম ৪৩ হাজার টাকা ভাঙ্গায় বাসচাপায় নিহত ৫, বিক্ষুব্ধ জনতার আগুনে পুড়ল ৪ বাস বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনই বড় চ্যালেঞ্জ: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান, সাত দালালের কারাদণ্ড বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনা, উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী-বিজিবি মোতায়েন ৫ জেলার এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত সীমান্তে ফের পুশইনের চেষ্টা, গ্রামবাসী-বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় ৩ জন মেগা প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করেন প্রকৌশলীরা, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা নন

বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের ঘাস বিক্রি! এক টুকরোর দাম ৪৩ হাজার টাকা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালকে ঘিরে উন্মাদনার মধ্যেই নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালের মাঠের আসল ঘাসের টুকরো স্মারক হিসেবে বিক্রি করবে সংস্থাটি।

ফিফা জানিয়েছে, মাঠের একটি সংরক্ষিত ঘাসের টুকরো কিনতে গুনতে হবে ৪৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ হাজার টাকা এবং ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৩ হাজার টাকার সমান।

ফিফার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, প্রতিটি ঘাসের টুকরো উন্নতমানের অ্যাক্রিলিকের মধ্যে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীরা ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের একটি বাস্তব স্মৃতি নিজেদের সংগ্রহে রাখতে পারবেন।

তবে প্রতিটি স্মারকের আকার নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। ফিফা জানিয়েছে, প্রতিটির মাপ হবে ১৭.৫ × ১৭.৫ × ১৭.৭। তবে এই পরিমাপ ইঞ্চি, সেন্টিমিটার নাকি মিলিমিটার—সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে সমর্থকদের নানা প্রশ্ন থাকলেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি ফিফা।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ১৯ জুলাইয়ের ফাইনাল শেষ হওয়ার পর ক্রেতাদের কাছে ধাপে ধাপে এসব স্মারক পাঠানো হবে।

তবে এই সংগ্রহযোগ্য স্মারক কিনতে পারবেন না বিশ্বের সব দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। আপাতত শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাসিন্দাদের জন্যই বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অন্য দেশে এটি সরবরাহ করা হবে না বলে জানিয়েছে ফিফা।

উল্লেখ্য, এনএফএলের নিউইয়র্ক জায়ান্টস ও নিউইয়র্ক জেটসের নিয়মিত ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সাধারণত কৃত্রিম টার্ফ ব্যবহৃত হয়। তবে বিশ্বকাপের জন্য সেখানে অস্থায়ীভাবে প্রাকৃতিক ঘাস বসানো হয়েছিল। টুর্নামেন্টের শুরুতে ওই ঘাসের মান নিয়ে কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচ প্রকাশ্যে সমালোচনাও করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের ঘাস বিক্রি! এক টুকরোর দাম ৪৩ হাজার টাকা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালকে ঘিরে উন্মাদনার মধ্যেই নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালের মাঠের আসল ঘাসের টুকরো স্মারক হিসেবে বিক্রি করবে সংস্থাটি।

ফিফা জানিয়েছে, মাঠের একটি সংরক্ষিত ঘাসের টুকরো কিনতে গুনতে হবে ৪৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ হাজার টাকা এবং ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৩ হাজার টাকার সমান।

ফিফার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, প্রতিটি ঘাসের টুকরো উন্নতমানের অ্যাক্রিলিকের মধ্যে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীরা ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের একটি বাস্তব স্মৃতি নিজেদের সংগ্রহে রাখতে পারবেন।

তবে প্রতিটি স্মারকের আকার নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। ফিফা জানিয়েছে, প্রতিটির মাপ হবে ১৭.৫ × ১৭.৫ × ১৭.৭। তবে এই পরিমাপ ইঞ্চি, সেন্টিমিটার নাকি মিলিমিটার—সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে সমর্থকদের নানা প্রশ্ন থাকলেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি ফিফা।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ১৯ জুলাইয়ের ফাইনাল শেষ হওয়ার পর ক্রেতাদের কাছে ধাপে ধাপে এসব স্মারক পাঠানো হবে।

তবে এই সংগ্রহযোগ্য স্মারক কিনতে পারবেন না বিশ্বের সব দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। আপাতত শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাসিন্দাদের জন্যই বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অন্য দেশে এটি সরবরাহ করা হবে না বলে জানিয়েছে ফিফা।

উল্লেখ্য, এনএফএলের নিউইয়র্ক জায়ান্টস ও নিউইয়র্ক জেটসের নিয়মিত ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সাধারণত কৃত্রিম টার্ফ ব্যবহৃত হয়। তবে বিশ্বকাপের জন্য সেখানে অস্থায়ীভাবে প্রাকৃতিক ঘাস বসানো হয়েছিল। টুর্নামেন্টের শুরুতে ওই ঘাসের মান নিয়ে কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচ প্রকাশ্যে সমালোচনাও করেছিলেন।