ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাঙ্গায় বাসচাপায় নিহত ৭, বিক্ষুব্ধ জনতার আগুনে পুড়ল ৪ বাস বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনই বড় চ্যালেঞ্জ: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান, সাত দালালের কারাদণ্ড বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনা, উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী-বিজিবি মোতায়েন ৫ জেলার এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত সীমান্তে ফের পুশইনের চেষ্টা, গ্রামবাসী-বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় ৩ জন মেগা প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করেন প্রকৌশলীরা, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা নন সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও হতে পারে অতিভারি বর্ষণ প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, যুক্ত হচ্ছে চার নতুন পাঠ্যবই

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনই বড় চ্যালেঞ্জ: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং কর্মহীন মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, ‘বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং কর্মহীন মানুষের মুখে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে বড় চ্যালেঞ্জ। পরিকল্পনামাফিক ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব।’

সরকারের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমন্বয়ের বিশেষ দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী শনিবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রামে পৌঁছান। সেখানে সার্কিট হাউসে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বন্যার্তদের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ যথাযথভাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসককে একটি মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দেন।

পরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ইলশা ওয়ার্ডে ১০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ২০০ প্যাকেট শুকনো ও রান্না করা খাবারও বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ ও সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনই বড় চ্যালেঞ্জ: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং কর্মহীন মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, ‘বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং কর্মহীন মানুষের মুখে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে বড় চ্যালেঞ্জ। পরিকল্পনামাফিক ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব।’

সরকারের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমন্বয়ের বিশেষ দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী শনিবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রামে পৌঁছান। সেখানে সার্কিট হাউসে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বন্যার্তদের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ যথাযথভাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসককে একটি মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দেন।

পরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ইলশা ওয়ার্ডে ১০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ২০০ প্যাকেট শুকনো ও রান্না করা খাবারও বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ ও সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।