নতুন ভোটার: যা জানা জরুরি
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে প্রথম ধাপ হলো ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করা। ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী এবং আগে কখনো ভোটার না হওয়া নাগরিকরা নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা, থানা বা জেলা নির্বাচন অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করে অথবা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ক্যাম্প/কার্যক্রমের মাধ্যমে এ আবেদন করা যায়।
আবেদন প্রক্রিয়া
নতুন ভোটার হতে একটি নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হয়। এতে নাম, জন্মতারিখ, পিতা-মাতার তথ্য, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করতে হয়।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ভোটার নিবন্ধনের সময় সাধারণত নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়—
- অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ
- এসএসসি বা সমমানের শিক্ষাগত সনদ (যদি থাকে)
- পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
- ঠিকানার প্রমাণপত্র (বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির বিল, হোল্ডিং ট্যাক্সের রসিদ ইত্যাদি)
- রক্তের গ্রুপের তথ্য
- বিবাহিতদের ক্ষেত্রে কাবিননামা এবং স্বামী/স্ত্রীর এনআইডির কপি (প্রয়োজন হলে)
- পিতা-মাতা মৃত হলে মৃত্যুসনদের কপি
তথ্য যাচাই
আবেদন জমা দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা তথ্য যাচাই করেন। প্রয়োজনে স্থানীয় পর্যায়ে সরেজমিন যাচাই বা জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ
তথ্য যাচাইয়ের পর আবেদনকারীকে নির্বাচন অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হয়। এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে—
- ছবি তোলা
- ১০ আঙুলের ছাপ সংগ্রহ
- চোখের আইরিশ স্ক্যান
- ডিজিটাল স্বাক্ষর গ্রহণ
এনআইডি পাওয়ার ধাপ
বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তথ্য জাতীয় ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। যাচাই শেষে আবেদনকারী ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন এবং পরবর্তীতে জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেউ একাধিকবার ভোটার হওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এছাড়া জন্মনিবন্ধনসহ সব কাগজপত্রে নাম, জন্মতারিখ ও অন্যান্য তথ্য一致 থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।























