১৪০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমেই শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের উৎপাদিত ওষুধ বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা ও অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) কর্তৃক এক লাখ ইউনিট আইভি স্যালাইন হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জিত হলে ওষুধ রপ্তানির বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও ভ্যাকসিন উৎপাদন-সরবরাহ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি। এমনকি ভেন্টিলেটর ও সিরিঞ্জের মতো জরুরি চিকিৎসা উপকরণেরও ঘাটতি ছিল। তবে বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় স্বাস্থ্যখাতের নানা সংকট মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, বিএপিআই সরকারের কাছে এক লাখ ইউনিট আইভি স্যালাইন অনুদান দিয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় গুদামে আরও এক লাখ স্যালাইন মজুত রয়েছে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়েও ২০ থেকে ২৫ হাজার ইউনিট স্যালাইন সংরক্ষিত আছে। প্রয়োজন বাড়লে অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে আরও দুই দিন সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুম সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং আক্রান্তের হার কমাতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ডেঙ্গু রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যখাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।





















