টুকু-পিন্টুর উদ্যোগে বিরোধের অবসান, শান্তির পথে দুই গ্রাম
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনার পর শান্তি ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। এ লক্ষ্যে শুক্রবার (৫ জুন) রাতে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউসে একটি মীমাংসা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। এছাড়া দুই উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ, গোলপেঁচা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য গনি তালুকদারসহ উভয় গ্রামের ৩০ জন প্রতিনিধি আলোচনায় অংশ নেন।
দীর্ঘ আলোচনা শেষে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে সমঝোতা হয়। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (৬ জুন) সকালে দুই গ্রামে হ্যান্ড মাইকে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বার্তা প্রচার করা হয়।
সভায় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে তাদের সহযোগিতার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুও প্রয়োজনীয় তদারকির আশ্বাস দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটবে এবং দুই গ্রামের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার পুরোনো বিরোধকে কেন্দ্র করে গোপালপুরের গোলপেঁচা ও ভূঞাপুরের জগৎপুরা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জগৎপুরা গ্রামের কালাম তালুকদার (৬৫) নিহত হন। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং নতুন করে সহিংসতার আশঙ্কা দেখা দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে। এরপরও শনিবার সকালে কয়েকটি স্থানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে গোলপেঁচা, নলীন বাজার ও জগৎপুরা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং শান্তি বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।




















