বিশ্ববাজারের চাপে বাড়তি ব্যয়, তবু সীমিত তেলমূল্য বৃদ্ধি: জ্বালানি মন্ত্রী
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিতিশীলতার কারণে জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকারকে অতিরিক্ত প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী Iqbal Hasan Mahmud Tuku। তাঁর ভাষ্য, বিশ্ববাজারে দাম দ্বিগুণ হলেও সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম তুলনামূলকভাবে কমই বাড়ানো হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ। এতে সরকারের ওপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবুও সেই অনুপাতে দাম না বাড়িয়ে ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। জনগণের ভোগান্তি কমানো এবং সামগ্রিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই এই বাড়তি ব্যয়ের বড় অংশ সরকার নিজেই বহন করছে।
এদিকে নতুন নির্ধারিত দামে রোববার থেকেই দেশব্যাপী জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ১৯ টাকা এবং অকটেনের দাম ২০ টাকা বেড়েছে। ডিজেলের ক্ষেত্রে লিটারপ্রতি বেড়েছে ১৫ টাকা।
নতুন দরে এখন প্রতি লিটার অকটেন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়, পেট্রল ১৩৫ টাকায় এবং ডিজেল ১১৫ টাকায়। পাশাপাশি কেরোসিনের দামও বাড়ানো হয়েছে, যা এখন ভোক্তা পর্যায়ে লিটারপ্রতি ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।






















