ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নে কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী তিন দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্গঠন হবে: মাহদী আমিন মানব পাচার ও চোরাচালান দমনে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই গণহত্যায় জড়িত কাউকে ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর দেশকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান চার বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারতীয় দল জব্দ পাথর নিয়ে ইউএনও’র লুকোচুরি ব্রাজিলের চিনির চুক্তি ভেঙে লন্ডনে ধরা খেল এস আলম, দিতে হবে ২৫ কোটির ক্ষতিপূরণ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ীই হবে: ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ হত্যার বিচার চাইলেন জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৩৭:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৭১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মাসুদকে হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে তিনি এমন দাবি করে একটি পোস্ট দেন।

স্ট্যাটাসে জয় দাবি করে বলেন, জামায়াত-শিবির তার এক পা কেটে নিয়েছে ২০১৪ সালে। তখন বাকি হাত-পাগুলোর রগও কেটে দিয়েছিল। ১০ বছর ধরে পঙ্গু জীবন যাপন করছিলেন আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। গত ৩ সেপ্টেম্বর একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, মেয়ের জন্য ওষুধ আনতে রাজশাহীতে বাড়ির পাশে ফার্মেসিতে গিয়েছিলেন মাসুদ। আর সেখানেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। মৃত্যুর সময় এক ফোঁটা পানি চেয়েছিলেন, তাও দেয়নি। কাকুতি-মিনতি করে বলেছিলেন, আমার চার দিন বয়সী একটি সন্তান আছে। কিছুই তাদের মন গলাতে পারেনি। কারণ মাসুদ একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন।

শিবির ক্যাডার ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার এই হত্যার নেতৃত্ব দিয়েছেন, এমন অভিযোগ তুলে জয় বলেন, আমি মাসুদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং অবিলম্বে ঘাতকদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে শিশুসন্তানের জন্য ওষুধ কিনতে বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন নগরীর বিনোদপুর এলাকায় যান আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে মাসুদের ওপর হামলা করা হয়। পরে একদল শিক্ষার্থী তাকে প্রথমে মতিহার থানায় নিয়ে যান। কিন্তু মতিহার থানায় ৫ আগস্টের সহিংসতার কোনও মামলা নেই। তাই বোয়ালিয়া থানায় আনা হয়, যেন কোনও সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখে সেনাবাহিনীর সহায়তায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ হত্যার বিচার চাইলেন জয়

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৩৭:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মাসুদকে হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে তিনি এমন দাবি করে একটি পোস্ট দেন।

স্ট্যাটাসে জয় দাবি করে বলেন, জামায়াত-শিবির তার এক পা কেটে নিয়েছে ২০১৪ সালে। তখন বাকি হাত-পাগুলোর রগও কেটে দিয়েছিল। ১০ বছর ধরে পঙ্গু জীবন যাপন করছিলেন আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। গত ৩ সেপ্টেম্বর একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, মেয়ের জন্য ওষুধ আনতে রাজশাহীতে বাড়ির পাশে ফার্মেসিতে গিয়েছিলেন মাসুদ। আর সেখানেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। মৃত্যুর সময় এক ফোঁটা পানি চেয়েছিলেন, তাও দেয়নি। কাকুতি-মিনতি করে বলেছিলেন, আমার চার দিন বয়সী একটি সন্তান আছে। কিছুই তাদের মন গলাতে পারেনি। কারণ মাসুদ একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন।

শিবির ক্যাডার ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার এই হত্যার নেতৃত্ব দিয়েছেন, এমন অভিযোগ তুলে জয় বলেন, আমি মাসুদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং অবিলম্বে ঘাতকদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে শিশুসন্তানের জন্য ওষুধ কিনতে বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন নগরীর বিনোদপুর এলাকায় যান আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে মাসুদের ওপর হামলা করা হয়। পরে একদল শিক্ষার্থী তাকে প্রথমে মতিহার থানায় নিয়ে যান। কিন্তু মতিহার থানায় ৫ আগস্টের সহিংসতার কোনও মামলা নেই। তাই বোয়ালিয়া থানায় আনা হয়, যেন কোনও সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখে সেনাবাহিনীর সহায়তায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।