ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্গঠন হবে: মাহদী আমিন মানব পাচার ও চোরাচালান দমনে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই গণহত্যায় জড়িত কাউকে ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর দেশকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান চার বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারতীয় দল জব্দ পাথর নিয়ে ইউএনও’র লুকোচুরি ব্রাজিলের চিনির চুক্তি ভেঙে লন্ডনে ধরা খেল এস আলম, দিতে হবে ২৫ কোটির ক্ষতিপূরণ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ীই হবে: ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘সীমান্তে ঢুকলেই গ্রেপ্তার’—ভারত থেকে দেওয়া হুঁশিয়ারির জবাবে আইনমন্ত্রীর কড়া বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

মানব পাচার ও চোরাচালান দমনে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার করে পরিচালিত সংঘবদ্ধ অপরাধ, মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে নতুন আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, অপরাধী চক্রের পরিবর্তিত কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার শক্তিশালী আইন, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। সদ্য প্রণীত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি বলেন, নতুন আইন বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

মন্ত্রী জানান, নতুন আইনে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর বিধান রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে নতুন আইন বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। তদন্ত থেকে বিচার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সমন্বয় জোরদার এবং আইনটির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার বিষয়ে অংশগ্রহণকারীরা মতবিনিময় করেন।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নতুন আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট, প্রয়োজনীয়তা ও মূল বিধান তুলে ধরেন। পরে আইন বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, সিআইডি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), এনএসআই, বিচার বিভাগ, প্রসিকিউশন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘের সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মানব পাচার ও চোরাচালান দমনে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার করে পরিচালিত সংঘবদ্ধ অপরাধ, মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে নতুন আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, অপরাধী চক্রের পরিবর্তিত কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার শক্তিশালী আইন, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। সদ্য প্রণীত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি বলেন, নতুন আইন বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

মন্ত্রী জানান, নতুন আইনে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর বিধান রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে নতুন আইন বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। তদন্ত থেকে বিচার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সমন্বয় জোরদার এবং আইনটির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার বিষয়ে অংশগ্রহণকারীরা মতবিনিময় করেন।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নতুন আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট, প্রয়োজনীয়তা ও মূল বিধান তুলে ধরেন। পরে আইন বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, সিআইডি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), এনএসআই, বিচার বিভাগ, প্রসিকিউশন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘের সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।