ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হলো ইসরাককে! কৃষিজমিতে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাসের চারা রোপন, ফসলের ক্ষতির শঙ্কায় কৃষকরা স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও সাফল্যের ঠিকানা এবিজি স্পোর্টস সিটি মানবসেবায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১৬ নভেম্বর আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযান, তদন্তের নির্দেশ ডিএমপির দুমকিতে জ্বালানি সংকট ও নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ে লিফলেট বিতরণ যশোর ও নড়াইলে ১২৭৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা: তিন স্তরের নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি

কৃষিজমিতে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাসের চারা রোপন, ফসলের ক্ষতির শঙ্কায় কৃষকরা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোম্পানিজোত এলাকায় আবাদি জমির চারপাশে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাসের চারা রোপণ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে আশপাশের কৃষি জমিরর ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউক্যালিপটাস গাছ বড় হলে চা, বেগুনসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,চারপাশে চা,বেগুন,ধানসহ বিভিন্ন ক্ষেতের মাঝ খালে ফাঁকা জমির চার পাশে নিষিদ্ধ ও পরিবেশের ক্ষতিকারক ইউক্যালিপটাসের গাছের চারা রোপন করার চিত্র দেখা যায়৷

জানা গেছে, শামীম আল মামুন নামে এক ব্যক্তি তাঁর প্রায় এক একর জমির চারপাশে এসব গাছের চারা রোপণ করেছেন। ওই এলাকার আশপাশে চা, বেগুনসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ রয়েছে।

জানা গেছে,শামীম আল মামুন জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোম্পানীজোত এলাকার৷ বাসিন্দা। কৃষকদের আশঙ্কা, ইউক্যালিপটাস গাছ মাটি থেকে বেশি পানি শোষণ করায় আশপাশের ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এতে উৎপাদন ও আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

এদিকে, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০২৫ সালের ১৫ মে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা রোপণ, উত্তোলন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসব গাছের পরিবর্তে দেশীয় প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের নির্দেশনা দেয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক কৃষক বলেন,আমরা জানি এসময় গাছ ফসল ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক৷ সরকার এসব গাছ রোপন ও বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। অথচ এই গাছ আমার পাশের জমির মালিক রোপন করেছেন। আমি জমি বর্গা নিয়ে আবাদ করেছি এতে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি৷ স্থানীয় কৃষকদের উদ্বেগের বিষয়ে জমির মালিক শামীম আল মামুন বলেন,আমি গাছ রোপণ করেছি। প্রশাসন আসুক, তুলে দেক।

এ বিষয়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনসুর আলী বলেন, আশপাশের কৃষকরা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। আমি ইউএনও মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কৃষিজমিতে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাসের চারা রোপন, ফসলের ক্ষতির শঙ্কায় কৃষকরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোম্পানিজোত এলাকায় আবাদি জমির চারপাশে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাসের চারা রোপণ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে আশপাশের কৃষি জমিরর ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউক্যালিপটাস গাছ বড় হলে চা, বেগুনসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,চারপাশে চা,বেগুন,ধানসহ বিভিন্ন ক্ষেতের মাঝ খালে ফাঁকা জমির চার পাশে নিষিদ্ধ ও পরিবেশের ক্ষতিকারক ইউক্যালিপটাসের গাছের চারা রোপন করার চিত্র দেখা যায়৷

জানা গেছে, শামীম আল মামুন নামে এক ব্যক্তি তাঁর প্রায় এক একর জমির চারপাশে এসব গাছের চারা রোপণ করেছেন। ওই এলাকার আশপাশে চা, বেগুনসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ রয়েছে।

জানা গেছে,শামীম আল মামুন জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোম্পানীজোত এলাকার৷ বাসিন্দা। কৃষকদের আশঙ্কা, ইউক্যালিপটাস গাছ মাটি থেকে বেশি পানি শোষণ করায় আশপাশের ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এতে উৎপাদন ও আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

এদিকে, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০২৫ সালের ১৫ মে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা রোপণ, উত্তোলন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এসব গাছের পরিবর্তে দেশীয় প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের নির্দেশনা দেয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক কৃষক বলেন,আমরা জানি এসময় গাছ ফসল ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক৷ সরকার এসব গাছ রোপন ও বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। অথচ এই গাছ আমার পাশের জমির মালিক রোপন করেছেন। আমি জমি বর্গা নিয়ে আবাদ করেছি এতে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি৷ স্থানীয় কৃষকদের উদ্বেগের বিষয়ে জমির মালিক শামীম আল মামুন বলেন,আমি গাছ রোপণ করেছি। প্রশাসন আসুক, তুলে দেক।

এ বিষয়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনসুর আলী বলেন, আশপাশের কৃষকরা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। আমি ইউএনও মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করেছি।