ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরে বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সার্ভিস চার্জ কার্ড চালু ৬৭ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি, ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে কড়াকড়ি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের’ দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি, আটকা ৫০০ ট্রাক ডেঙ্গু: সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ৩২২ জনের প্রাণহানি জামালপুরে তামাক চাষ পরিহার করে বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কর্মশালা গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ের সরকার: জহির উদ্দিন স্বপন দুই ঈদে টানা ছুটি, ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

আন্দোলনে উত্তরাতেই শহীদ হয়েছে ২৮ জন, আহত ১৯৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শুধু রাজধানীর উত্তরায় শহীদ হয়েছে ২৮ জন। আর আহত হয়েছে ১৯৭ জন। এ নিয়ে তালিকা প্রকাশ করেছে ‘চব্বিশের উত্তরা’।

তালিকায় ২৪ এর গণ আন্দোলনে উত্তরার তালিকায় শহীদ ২৮ জন, আহত ১৯৭ জন, নিখোঁজ একজনসহ ২২৬ জনের তথ্য সন্নিবেশিত রয়েছে। বিশেষ করে ১৮ জুলাই এবং ৫ আগস্ট সবচেয়ে বেশি আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটে। বিএনএস, আজমপুর ও উত্তরা পূর্ব থানার সামনে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

হতাহতদের মধ্যে ছাত্র ১৯ জন। আর বাকি যারা রয়েছে তারা ছোটখাটো ব্যবসায়ী, দর্জি, ড্রাইভার, সিকিউরিটি গার্ড, রেস্টুরেন্ট এ কাজ করে, শিক্ষক, মোটর পার্টস মেকানিক, শ্রমিক, ফল বিক্রেতা, দিনমজুর, ইমাম, গার্মেন্টস শ্রমিক,দোকান মালিক, রংমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি, বাসা বাড়িতে কাজ করে, দারোয়ান, অটোরিকশাচালক।

অধিকাংশ নিহত ও আহতরা আঘাত পেয়েছে মাথায়, উরুতে, চোখে, পায়ে, কোমরে, পাজরে বুলেট, ছররাগুলি, পুলিশ ও ছাত্রলীগের লাঠিচার্জের মাধ্যমে।

এরমধ্যে গুরুতর চোখের চিকিৎসা দরকার ১৩ জনের। বুলেটে আঘাতপ্রাপ্তদের চিকিৎসা দরকার এমন মানুষের সংখ্যা ৩৪ জন।

বুলেটে আহত ও শহীদের সংখ্যা ১০৯ এবং ছোররা ১০২ অন্যান্য ৩০। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৯৪ জন, ফার্মেসিতে ১০, ক্লিনিকে ৮ এবং বাকিরা বাসায় চিকিৎসা নিয়েছে।

তালিকায় বলা হয়, ২০৪ জনের চিকিৎসার কাগজপত্র আছে, ১২ জনের নেই, ১১ জন বাসায় চিকিৎসা নিয়েছে। ২২৭ জনের মধ্যে ১৯৯ জনের সহায়তা প্রয়োজন, ২৮ জনের কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই।

১৫৭ জনের আর্থিক সহায়তা দরকার, চিকিৎসা দরকার ৮৩ জনের, জীবিকা নির্বাহের সহায়তা দরকার জন্য ৬৪ জনের, ২৪ জনের কোনো ধরনের সহায়তা প্রয়োজন নেই বলে তথ্যদাতারা উল্লেখ করেছন।

বলা হয়, ২২৭ জনের মধ্যে ১৬৪ জন কোনো সহায়তা পাননি। বেসরকারি সহযোগিতা পেয়েছে ৩৩ জন। এছাড়া দক্ষিণখান ও উত্তরখানে ক্যাম্পেইন চলছে। এই ক্যাম্পেইন শেষ হলে পরবর্তীতে উত্তরা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। এছাড়া আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা, নিখোঁজদের সন্ধান, শহীদ পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব নেয়ার দাবি জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আন্দোলনে উত্তরাতেই শহীদ হয়েছে ২৮ জন, আহত ১৯৭

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শুধু রাজধানীর উত্তরায় শহীদ হয়েছে ২৮ জন। আর আহত হয়েছে ১৯৭ জন। এ নিয়ে তালিকা প্রকাশ করেছে ‘চব্বিশের উত্তরা’।

তালিকায় ২৪ এর গণ আন্দোলনে উত্তরার তালিকায় শহীদ ২৮ জন, আহত ১৯৭ জন, নিখোঁজ একজনসহ ২২৬ জনের তথ্য সন্নিবেশিত রয়েছে। বিশেষ করে ১৮ জুলাই এবং ৫ আগস্ট সবচেয়ে বেশি আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটে। বিএনএস, আজমপুর ও উত্তরা পূর্ব থানার সামনে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

হতাহতদের মধ্যে ছাত্র ১৯ জন। আর বাকি যারা রয়েছে তারা ছোটখাটো ব্যবসায়ী, দর্জি, ড্রাইভার, সিকিউরিটি গার্ড, রেস্টুরেন্ট এ কাজ করে, শিক্ষক, মোটর পার্টস মেকানিক, শ্রমিক, ফল বিক্রেতা, দিনমজুর, ইমাম, গার্মেন্টস শ্রমিক,দোকান মালিক, রংমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি, বাসা বাড়িতে কাজ করে, দারোয়ান, অটোরিকশাচালক।

অধিকাংশ নিহত ও আহতরা আঘাত পেয়েছে মাথায়, উরুতে, চোখে, পায়ে, কোমরে, পাজরে বুলেট, ছররাগুলি, পুলিশ ও ছাত্রলীগের লাঠিচার্জের মাধ্যমে।

এরমধ্যে গুরুতর চোখের চিকিৎসা দরকার ১৩ জনের। বুলেটে আঘাতপ্রাপ্তদের চিকিৎসা দরকার এমন মানুষের সংখ্যা ৩৪ জন।

বুলেটে আহত ও শহীদের সংখ্যা ১০৯ এবং ছোররা ১০২ অন্যান্য ৩০। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৯৪ জন, ফার্মেসিতে ১০, ক্লিনিকে ৮ এবং বাকিরা বাসায় চিকিৎসা নিয়েছে।

তালিকায় বলা হয়, ২০৪ জনের চিকিৎসার কাগজপত্র আছে, ১২ জনের নেই, ১১ জন বাসায় চিকিৎসা নিয়েছে। ২২৭ জনের মধ্যে ১৯৯ জনের সহায়তা প্রয়োজন, ২৮ জনের কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই।

১৫৭ জনের আর্থিক সহায়তা দরকার, চিকিৎসা দরকার ৮৩ জনের, জীবিকা নির্বাহের সহায়তা দরকার জন্য ৬৪ জনের, ২৪ জনের কোনো ধরনের সহায়তা প্রয়োজন নেই বলে তথ্যদাতারা উল্লেখ করেছন।

বলা হয়, ২২৭ জনের মধ্যে ১৬৪ জন কোনো সহায়তা পাননি। বেসরকারি সহযোগিতা পেয়েছে ৩৩ জন। এছাড়া দক্ষিণখান ও উত্তরখানে ক্যাম্পেইন চলছে। এই ক্যাম্পেইন শেষ হলে পরবর্তীতে উত্তরা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। এছাড়া আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা, নিখোঁজদের সন্ধান, শহীদ পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব নেয়ার দাবি জানানো হয়।