ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরে বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সার্ভিস চার্জ কার্ড চালু ৬৭ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি, ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে কড়াকড়ি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের’ দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি, আটকা ৫০০ ট্রাক ডেঙ্গু: সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ৩২২ জনের প্রাণহানি জামালপুরে তামাক চাষ পরিহার করে বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কর্মশালা গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ের সরকার: জহির উদ্দিন স্বপন দুই ঈদে টানা ছুটি, ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

লক্ষ্মীপুরে বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা। পরে স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের অভিযোগ তুলে ধরেন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের মৃত ফজল করিমের স্ত্রী মানিক জাহান, ছেলে মো. মাসুম, মেয়ে মুক্তা আক্তার ও ভাই মো. মিজান অভিযোগ করেন, ফজল করিম জীবিত থাকাকালে ১৫ শতাংশ জমি কিনে সেখানে পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর একই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান, আলী আহম্মদ এবং আলী আহম্মদের ছেলে মো. ইউসুফ ও মো. রুবেল ওই জমি দখলের চেষ্টা করছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদ করায় গত ৩১ জুলাই গভীর রাতে এবং ১২ আগস্ট রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ১৫০ থেকে ২০০ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের বসতঘরে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি একটি ট্রাকে করে মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।

তাঁদের আরও অভিযোগ, হামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই জমিতে সুপারি ও নারিকেলের চারা রোপণ করে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। সম্পত্তি রক্ষায় বাধা দিতে গিয়ে মানিক জাহান ও তাঁর ছেলে মাসুম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মানিক জাহান বলেন, এ ঘটনায় মামলা করেও তাঁরা ন্যায়বিচার পাননি। উল্টো তাঁদের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। রাত বাড়লে সন্ত্রাসী হামলা ও পুলিশি হয়রানির আশঙ্কায় তাঁরা নিরাপদে ঘুমাতে পারছেন না। প্রশাসনের কাছে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এদিকে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান, আলী আহম্মদ এবং তাঁর ছেলে মো. ইউসুফ ও মো. রুবেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

লক্ষ্মীপুরে বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা। পরে স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের অভিযোগ তুলে ধরেন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের মৃত ফজল করিমের স্ত্রী মানিক জাহান, ছেলে মো. মাসুম, মেয়ে মুক্তা আক্তার ও ভাই মো. মিজান অভিযোগ করেন, ফজল করিম জীবিত থাকাকালে ১৫ শতাংশ জমি কিনে সেখানে পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর একই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান, আলী আহম্মদ এবং আলী আহম্মদের ছেলে মো. ইউসুফ ও মো. রুবেল ওই জমি দখলের চেষ্টা করছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদ করায় গত ৩১ জুলাই গভীর রাতে এবং ১২ আগস্ট রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ১৫০ থেকে ২০০ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের বসতঘরে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি একটি ট্রাকে করে মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।

তাঁদের আরও অভিযোগ, হামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই জমিতে সুপারি ও নারিকেলের চারা রোপণ করে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। সম্পত্তি রক্ষায় বাধা দিতে গিয়ে মানিক জাহান ও তাঁর ছেলে মাসুম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মানিক জাহান বলেন, এ ঘটনায় মামলা করেও তাঁরা ন্যায়বিচার পাননি। উল্টো তাঁদের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। রাত বাড়লে সন্ত্রাসী হামলা ও পুলিশি হয়রানির আশঙ্কায় তাঁরা নিরাপদে ঘুমাতে পারছেন না। প্রশাসনের কাছে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এদিকে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান, আলী আহম্মদ এবং তাঁর ছেলে মো. ইউসুফ ও মো. রুবেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।