ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে চাকরি, ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব খালের পাড়ে হাঁটার পথ, সবুজায়ন ও সৌন্দর্যায়ন—নতুন রূপে ঢাকা ট্রাম্পের হুমকির পাল্টা ইরানের, ‘হামলা হলে আরও বড় যুদ্ধ’ নারীদের নিরাপদ যাতায়াতে বাড়ছে পিংক বাস সেবা যশোরে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ৬২ মোটরসাইকেল আটক; ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৫ এগ্রো ট্যুরিজমের নামে চরম ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের ফাঁদ কৃষকদের অবদানের স্বীকৃতিতে ‘রাষ্ট্রপতি কৃষি পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ ডেঙ্গুতে মারা গেলেন চিকিৎসক আঁচল রায় ইসিবি চত্বরে হামলার ঘটনায় চাঁদাবাজি-দখলদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন নাহিদ ইসলামের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরে এমপির নাম, প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা: আমিনুল হক

বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে চাকরি, ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

বিশেষ প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর অন্যতম পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের সনদ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগের অনুসন্ধানে এবার এসব শিক্ষককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত শিক্ষকরা বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকতা করছেন—এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের বক্তব্য নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে স্বাক্ষর করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান।

কেন ডাকা হলো ২৩ শিক্ষককে?

দুদকের নোটিশে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা কিংবা চাকরি করার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ কারণে নোটিশে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে শিক্ষকদের কলেজ কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

শুধু মৌখিক বক্তব্য নয়, সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথিও নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে দুদক। প্রত্যেক শিক্ষককে বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে রাখার কথা বলা হয়েছে।

হাজির না হলে কী হবে?

নির্ধারিত সময়ে কোনো শিক্ষক হাজির না হলে বিষয়টি অনুসন্ধানে অসহযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে নোটিশে সতর্ক করেছে দুদক।

অর্থাৎ, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সনদ ও বক্তব্য দুটিই পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় আসছে।

তলবের তালিকায় যারা

দুদকের নোটিশ অনুযায়ী, তলব করা ২৩ শিক্ষক হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সুলাইমান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কাবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান শেখ, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নুরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমীন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন এবং এন. এম. মঞ্জুরুল হক।

তবে দুদকের অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত বলা যাচ্ছে না। সনদগুলোর বৈধতা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পরই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে চাকরি, ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর অন্যতম পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের সনদ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগের অনুসন্ধানে এবার এসব শিক্ষককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত শিক্ষকরা বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকতা করছেন—এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের বক্তব্য নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে স্বাক্ষর করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান।

কেন ডাকা হলো ২৩ শিক্ষককে?

দুদকের নোটিশে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা কিংবা চাকরি করার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ কারণে নোটিশে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে শিক্ষকদের কলেজ কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

শুধু মৌখিক বক্তব্য নয়, সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথিও নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে দুদক। প্রত্যেক শিক্ষককে বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে রাখার কথা বলা হয়েছে।

হাজির না হলে কী হবে?

নির্ধারিত সময়ে কোনো শিক্ষক হাজির না হলে বিষয়টি অনুসন্ধানে অসহযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে নোটিশে সতর্ক করেছে দুদক।

অর্থাৎ, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সনদ ও বক্তব্য দুটিই পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় আসছে।

তলবের তালিকায় যারা

দুদকের নোটিশ অনুযায়ী, তলব করা ২৩ শিক্ষক হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সুলাইমান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কাবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান শেখ, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নুরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমীন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন এবং এন. এম. মঞ্জুরুল হক।

তবে দুদকের অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত বলা যাচ্ছে না। সনদগুলোর বৈধতা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পরই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।