ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কে এমপি পদ হারানোর শঙ্কায় গাজী নজরুল, বলছেন আইন বিশেষজ্ঞরা একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়, জানতে হাইকোর্টের রুল এহছানুল হককে ওএসডি করার খবর ভিত্তিহীন: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তি ২ লাখ ১১ হাজারের বেশি মামলা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠক এমপি নজরুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন প্রশ্ন, কাজীর বক্তব্যে বাড়ল বিতর্ক বিএনপির জোটে ক্ষমতার সমীকরণ, সরকার পরিচালনায় অংশ নিতে চান শরিকরা ছাত্র আন্দোলন ঘিরে শাবানা আজমিকে নিয়ে বিতর্ক, বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ ১০ বছর বড় প্রেমিকা অন্তঃসত্ত্বা হতেই বিচ্ছেদ? বিতর্কে ফরাসি ফুটবলার মাইকেল

ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়, জানতে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ করা হবে না কেন—এ মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ না করায় ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

বুধবার (২২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিটকারীদের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের একজন চেয়ারম্যানকে আইন অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এর মধ্যে গ্রাম আদালত পরিচালনার ক্ষমতাও রয়েছে, যেখানে তিনি সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা মূল্যমানের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারেন।

তারা আরও বলেন, একই ধরনের বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। অথচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমানে কোনো ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত নেই, যা যৌক্তিক নয়।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, দক্ষ ও কার্যকর করতে চেয়ারম্যানদের ওপর বহুমুখী দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। সে কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর চেয়ারম্যানের যোগ্যতা-সংক্রান্ত ২৬ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

এ মামলায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়, জানতে হাইকোর্টের রুল

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ করা হবে না কেন—এ মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ না করায় ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

বুধবার (২২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিটকারীদের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের একজন চেয়ারম্যানকে আইন অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এর মধ্যে গ্রাম আদালত পরিচালনার ক্ষমতাও রয়েছে, যেখানে তিনি সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা মূল্যমানের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারেন।

তারা আরও বলেন, একই ধরনের বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। অথচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমানে কোনো ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত নেই, যা যৌক্তিক নয়।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, দক্ষ ও কার্যকর করতে চেয়ারম্যানদের ওপর বহুমুখী দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। সে কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর চেয়ারম্যানের যোগ্যতা-সংক্রান্ত ২৬ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

এ মামলায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।