ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এমপি নজরুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন প্রশ্ন, কাজীর বক্তব্যে বাড়ল বিতর্ক বিএনপির জোটে ক্ষমতার সমীকরণ, সরকার পরিচালনায় অংশ নিতে চান শরিকরা ছাত্র আন্দোলন ঘিরে শাবানা আজমিকে নিয়ে বিতর্ক, বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ ১০ বছর বড় প্রেমিকা অন্তঃসত্ত্বা হতেই বিচ্ছেদ? বিতর্কে ফরাসি ফুটবলার মাইকেল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যমুনার ভাঙনে বন্ধ সড়ক, ১৫ কিলোমিটার ঘুরে চলাচলে দুর্ভোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা জোরদারের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর মোদীর বাসভবনের সামনে ধর্নার চেষ্টা, আটক রাহুল-প্রিয়ঙ্কা ইমন হত্যা মামলায় বাদ পড়া ৩৯ আসামিকে ফের অন্তর্ভুক্তের নির্দেশ দুদকের মামলার আসামিরা ডিজি আব্দুর রহিমের ছত্রচ্ছায়ায়

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন প্রশ্ন, কাজীর বক্তব্যে বাড়ল বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের কথিত দ্বিতীয় বিয়েকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কাবিননামা, এমপির লিখিত বক্তব্য এবং বিয়ে সম্পন্নকারী কাজীর বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কাবিননামা এবং এমপি গাজী নজরুল ইসলামের লিখিত বক্তব্যে বিয়ের তারিখ ১৭ জুন ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মোবাইল ফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিয়ের কাজী বাকী বিল্লাহ জানান, পাত্রের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই কাবিননামা প্রস্তুত করা হয় এবং পাত্র-পাত্রীর স্বাক্ষর নেওয়া হয় মঙ্গলবার (২১ জুলাই)।

এদিকে, ১৭ জুন বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করা হলেও পরে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তরুণী মরিয়ম খাতুনকে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় না দিয়ে অন্যভাবে উপস্থাপন করা এবং এ ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব ঘটনার সঙ্গে কাবিননামার তথ্যের সামঞ্জস্য না থাকায় পুরো বিষয়টি আরও বিতর্কিত হয়ে উঠেছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে কাজী বাকী বিল্লাহ আরও দাবি করেন, কোথায় বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে তা তিনি নিশ্চিতভাবে জানেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাবিননামা প্রস্তুতের সময় পাত্র-পাত্রীর কেউ উপস্থিত ছিলেন না; বরং কয়েকজন সাক্ষী এসে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

এরই মধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের সুপারিশে চাকরির আবেদনকারী মরিয়ম খাতুনের একটি বায়োডাটা। ২২ জুন তারিখের ওই বায়োডাটায় তিনি নিজেকে অবিবাহিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অথচ কাবিননামা অনুযায়ী বিয়ের তারিখ ১৭ জুন হলে পাঁচ দিন পরের বায়োডাটায় অবিবাহিত পরিচয় দেওয়ার কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে, ওই বায়োডাটার ভিত্তিতেই এমপি গাজী নজরুল ইসলাম তাকে চাকরির জন্য সুপারিশ করেছিলেন বলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে, এক নারীর সঙ্গে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সেল এক বিবৃতিতে জানায়, ঘটনার প্রকৃত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আজিজুর রহমানও বিষয়টি নিয়ে দলের অস্বস্তির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ভাইরাল ভিডিও ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে দলীয়ভাবে তদন্ত চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন প্রশ্ন, কাজীর বক্তব্যে বাড়ল বিতর্ক

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের কথিত দ্বিতীয় বিয়েকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কাবিননামা, এমপির লিখিত বক্তব্য এবং বিয়ে সম্পন্নকারী কাজীর বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কাবিননামা এবং এমপি গাজী নজরুল ইসলামের লিখিত বক্তব্যে বিয়ের তারিখ ১৭ জুন ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মোবাইল ফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিয়ের কাজী বাকী বিল্লাহ জানান, পাত্রের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই কাবিননামা প্রস্তুত করা হয় এবং পাত্র-পাত্রীর স্বাক্ষর নেওয়া হয় মঙ্গলবার (২১ জুলাই)।

এদিকে, ১৭ জুন বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করা হলেও পরে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তরুণী মরিয়ম খাতুনকে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় না দিয়ে অন্যভাবে উপস্থাপন করা এবং এ ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব ঘটনার সঙ্গে কাবিননামার তথ্যের সামঞ্জস্য না থাকায় পুরো বিষয়টি আরও বিতর্কিত হয়ে উঠেছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে কাজী বাকী বিল্লাহ আরও দাবি করেন, কোথায় বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে তা তিনি নিশ্চিতভাবে জানেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাবিননামা প্রস্তুতের সময় পাত্র-পাত্রীর কেউ উপস্থিত ছিলেন না; বরং কয়েকজন সাক্ষী এসে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

এরই মধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের সুপারিশে চাকরির আবেদনকারী মরিয়ম খাতুনের একটি বায়োডাটা। ২২ জুন তারিখের ওই বায়োডাটায় তিনি নিজেকে অবিবাহিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অথচ কাবিননামা অনুযায়ী বিয়ের তারিখ ১৭ জুন হলে পাঁচ দিন পরের বায়োডাটায় অবিবাহিত পরিচয় দেওয়ার কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে, ওই বায়োডাটার ভিত্তিতেই এমপি গাজী নজরুল ইসলাম তাকে চাকরির জন্য সুপারিশ করেছিলেন বলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে, এক নারীর সঙ্গে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সেল এক বিবৃতিতে জানায়, ঘটনার প্রকৃত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আজিজুর রহমানও বিষয়টি নিয়ে দলের অস্বস্তির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ভাইরাল ভিডিও ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে দলীয়ভাবে তদন্ত চলছে।