মোদীর বাসভবনের সামনে ধর্নার চেষ্টা, আটক রাহুল-প্রিয়ঙ্কা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনের অদূরে অবস্থান কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী জোটের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় দিল্লির উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ভুক্ত লোককল্যাণ মার্গ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওই এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে সেই আহ্বান উপেক্ষা করে ছাত্র-যুব আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধর্নার ঘোষণা দেয় কংগ্রেস।
ধর্নার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মানে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা। শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারের দাবিতে সবাইকে আমাদের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাই।”
ধর্নায় কংগ্রেস সাংসদদের পাশাপাশি সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং কংগ্রেস-শাসিত কয়েকটি রাজ্যের নেতারাও অংশ নেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং কর্মসূচিস্থলে গিয়ে ধর্না প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান এবং পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করে ফের বিরোধী নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। তবে বিরোধী দল তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।
বিরোধী নেতাদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, শিক্ষার্থী আন্দোলনে পুলিশি পদক্ষেপের জন্য সরকারের ক্ষমা প্রার্থনা, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতি এবং নতুন শিক্ষানীতি নিয়ে সংসদে আলোচনা।
এরই মধ্যে সন্ধ্যায় ধর্নাস্থল থেকে রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, অখিলেশ যাদবসহ উপস্থিত নেতাদের আটক করে বাসে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ।
উল্লেখ্য, মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সোমবারও দিল্লিতে বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই আন্দোলনের জেরেই বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।





















