ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৬ নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বহু প্রাম প্লাবিত আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কি সিদ্ধান্ত হয়েছিল? জানালেন কলিনা নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে দালালতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: সারজিস জামিনে কারামুক্ত গৌরনদী উপজেলা আ’ লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর শেষযাত্রায় খামেনেইর কফিন পাহাড়ায় যুদ্ধবিমান ৮ কোটি টাকার প্রকল্পে ব্যয় ৫৩ কোটি—বিতর্কিত ‘ইন্টিগ্রেট’ প্রকল্প বাতিল আগামী সংসদ নির্বাচন হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে: আইনমন্ত্রী ‘সবুজ বসতি’ গড়তে দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নাশকতা মামলায় সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তারের আদেশ

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কি সিদ্ধান্ত হয়েছিল? জানালেন কলিনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আর্জেন্টিনা–মিশর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব দিয়েছেন ফিফার রেফারিং কমিটির প্রধান পিয়েরলুইগি কলিনা। বিশ্বকাপজুড়ে রেফারিদের সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ভিএআর (VAR) ব্যবহার এবং বড় দলগুলোকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

ফিফার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে কলিনা বলেন, রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হতে পারে, তবে প্রমাণহীন অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর ভাষায়, বিশ্বকাপের রেফারিদের সততা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। এমনকি ফিফা সভাপতিও কোনো রেফারির সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারেন না।

আর্জেন্টিনা–মিশর ম্যাচে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে মিশরের বাতিল হওয়া গোল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে মোহাম্মদ সালাহকে ফাউল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা ওঠে।

এ বিষয়ে কলিনা বলেন, ফাউল মানেই ফাউল—তা ইচ্ছাকৃত কি না, সেটি এখানে মূল বিষয় নয়। মাঠের রেফারি কোনো ফাউল দেখতে না পেলে, প্রয়োজন হলে ভিএআর অবশ্যই হস্তক্ষেপ করবে।

আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে সালাহ ও হুলিয়ান আলভারেজের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে কলিনার ব্যাখ্যা, আলভারেজ আগে বল স্পর্শ করেছিলেন। এরপর দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে যে সংস্পর্শ হয়েছে, সেটি স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংঘর্ষ। তাই সেখানে ফাউল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষের বুটের ওপর পা পড়ে গেলে তা ফাউল হতে পারে। তবে যদি ডিফেন্ডার আগে বল দখলে নেয় এবং এরপর স্বাভাবিকভাবে সংস্পর্শ ঘটে, তাহলে সেটিকে ফাউল হিসেবে গণ্য করা হয় না।

বিশ্বকাপে রেফারিদের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে কলিনা বলেন, এসব ভিত্তিহীন সমালোচনার কারণে অনেক রেফারি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কি সিদ্ধান্ত হয়েছিল? জানালেন কলিনা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনা–মিশর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব দিয়েছেন ফিফার রেফারিং কমিটির প্রধান পিয়েরলুইগি কলিনা। বিশ্বকাপজুড়ে রেফারিদের সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ভিএআর (VAR) ব্যবহার এবং বড় দলগুলোকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

ফিফার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে কলিনা বলেন, রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হতে পারে, তবে প্রমাণহীন অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর ভাষায়, বিশ্বকাপের রেফারিদের সততা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। এমনকি ফিফা সভাপতিও কোনো রেফারির সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারেন না।

আর্জেন্টিনা–মিশর ম্যাচে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে মিশরের বাতিল হওয়া গোল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে মোহাম্মদ সালাহকে ফাউল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা ওঠে।

এ বিষয়ে কলিনা বলেন, ফাউল মানেই ফাউল—তা ইচ্ছাকৃত কি না, সেটি এখানে মূল বিষয় নয়। মাঠের রেফারি কোনো ফাউল দেখতে না পেলে, প্রয়োজন হলে ভিএআর অবশ্যই হস্তক্ষেপ করবে।

আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে সালাহ ও হুলিয়ান আলভারেজের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে কলিনার ব্যাখ্যা, আলভারেজ আগে বল স্পর্শ করেছিলেন। এরপর দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে যে সংস্পর্শ হয়েছে, সেটি স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংঘর্ষ। তাই সেখানে ফাউল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষের বুটের ওপর পা পড়ে গেলে তা ফাউল হতে পারে। তবে যদি ডিফেন্ডার আগে বল দখলে নেয় এবং এরপর স্বাভাবিকভাবে সংস্পর্শ ঘটে, তাহলে সেটিকে ফাউল হিসেবে গণ্য করা হয় না।

বিশ্বকাপে রেফারিদের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে কলিনা বলেন, এসব ভিত্তিহীন সমালোচনার কারণে অনেক রেফারি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।