ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে ৩০ প্রাণহানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:২২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, দুর্গত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র চালু, খাদ্য ও নগদ সহায়তা বিতরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ত্রাণমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ১৯ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, বান্দরবানে ৫ জন এবং রাঙামাটিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় শত শত আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৪১১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ আবাসনের পাশাপাশি সুপেয় পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিংও করা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্গত এলাকায় নগদ অর্থ ও খাদ্যসহায়তা বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

ত্রাণমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার জন্য ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির প্রয়োজন হলে আরও জরুরি বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পাহাড়ধসে প্রাণহানি কমাতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে জনপ্রতিনিধিদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি জেলার জন্য অতিরিক্ত ১০০ টন চাল এবং দুই লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে ৩০ প্রাণহানি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:২২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, দুর্গত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র চালু, খাদ্য ও নগদ সহায়তা বিতরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ত্রাণমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ১৯ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, বান্দরবানে ৫ জন এবং রাঙামাটিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় শত শত আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৪১১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ আবাসনের পাশাপাশি সুপেয় পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিংও করা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্গত এলাকায় নগদ অর্থ ও খাদ্যসহায়তা বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

ত্রাণমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার জন্য ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির প্রয়োজন হলে আরও জরুরি বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পাহাড়ধসে প্রাণহানি কমাতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে জনপ্রতিনিধিদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি জেলার জন্য অতিরিক্ত ১০০ টন চাল এবং দুই লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।