ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবেশী সোহেলের দায় স্বীকার

লাশ গোপন করতেই বিচ্ছিন্ন করা হয় শিশুর মাথা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

গ্রেপ্তার সোহেল রানা

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ-এর খাস কামরায় তিনি এ জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

পুলিশ জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করেন। অন্যদিকে স্বপ্নাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদনও করা হয়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিশুটির মরদেহ গোপন করতেই ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করেন সোহেল রানা। পরে মরদেহের বিভিন্ন অংশ আলাদা করারও তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশী বাসা থেকে প্রথমে শিশুটির মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে একটি রঙের বালতি থেকে উদ্ধার করা হয় বিচ্ছিন্ন মাথা। নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে থাকা স্বপ্না আক্তার প্রাথমিকভাবে জানান, তার স্বামী শিশুটিকে বাথরুমে আটকে নির্যাতনের পর হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গোপনের উদ্দেশ্যে গলা কেটে মাথা ও শরীরের অংশ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

পরে শিশুটির বাবা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে আটক করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার ভোরে নিহত শিশুর বাবা পল্লবী থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মঙ্গলবার সকালে শিশুটিকে পাশের বাসায় ডেকে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রতিবেশী সোহেলের দায় স্বীকার

লাশ গোপন করতেই বিচ্ছিন্ন করা হয় শিশুর মাথা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ-এর খাস কামরায় তিনি এ জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

পুলিশ জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করেন। অন্যদিকে স্বপ্নাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদনও করা হয়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিশুটির মরদেহ গোপন করতেই ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করেন সোহেল রানা। পরে মরদেহের বিভিন্ন অংশ আলাদা করারও তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশী বাসা থেকে প্রথমে শিশুটির মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে একটি রঙের বালতি থেকে উদ্ধার করা হয় বিচ্ছিন্ন মাথা। নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে থাকা স্বপ্না আক্তার প্রাথমিকভাবে জানান, তার স্বামী শিশুটিকে বাথরুমে আটকে নির্যাতনের পর হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গোপনের উদ্দেশ্যে গলা কেটে মাথা ও শরীরের অংশ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

পরে শিশুটির বাবা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে আটক করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার ভোরে নিহত শিশুর বাবা পল্লবী থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মঙ্গলবার সকালে শিশুটিকে পাশের বাসায় ডেকে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়।