ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে হামে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে প্রাণহানি ৪৫১ টাঙ্গাইলকে আধুনিক ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ফারাক্কার প্রভাবে প্রাণহীন পদ্মা হারানো ঐতিহ্য ‘রাজশাহী সিল্ক’ পুনরুদ্ধারে ব্র্যাককে এগিয়ে আসার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর নবম পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশের দাবি সরকারি কর্মচারীদের রতোয়া নদীতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু ঘোড়াঘাটের বাজারে অপরিপক্ক লিচুর ছড়াছড়ি, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হবে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান গোপালপুরে যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মামলাকে ঘিরে বিতর্ক পাবনার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ১৭ বছর পর ঢাকায় গ্রেফতার

মাভাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম‎

‎মো.মশিউর রহমান,টাংগাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ৮৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


‎মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।

‎বুধবার (১৪ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

‎প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

‎ড. শহিদুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিনের শিক্ষকতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও একাডেমিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে।

‎প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, উপাচার্য হিসেবে তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

‎এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্য যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

‎নতুন উপাচার্যের নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মাঝেও আশাবাদ তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশা করছেন, নতুন প্রশাসনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার পরিবেশ সম্প্রসারণ, সেশনজট নিরসন, আবাসন সংকট সমাধান এবং ক্যাম্পাসের সামগ্রিক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীবান্ধব প্রশাসন ও স্বচ্ছ একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে আশা করছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাভাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম‎

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


‎মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।

‎বুধবার (১৪ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

‎প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

‎ড. শহিদুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিনের শিক্ষকতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও একাডেমিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে।

‎প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, উপাচার্য হিসেবে তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

‎এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্য যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

‎নতুন উপাচার্যের নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মাঝেও আশাবাদ তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশা করছেন, নতুন প্রশাসনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার পরিবেশ সম্প্রসারণ, সেশনজট নিরসন, আবাসন সংকট সমাধান এবং ক্যাম্পাসের সামগ্রিক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীবান্ধব প্রশাসন ও স্বচ্ছ একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে আশা করছেন তারা।