ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদায় এক অমর কণ্ঠ: চলে গেলেন আশা ভোঁসলে

বিনোদন প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গানের সুর যেন হঠাৎ থেমে গেল। যে কণ্ঠে প্রজন্মের পর প্রজন্ম প্রেম, বেদনা আর জীবনের গল্প শুনেছে—সেই কণ্ঠ আজ চিরনীরব। প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। বয়স হয়েছিল ৯২।

শনিবার সন্ধ্যায় আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শরীরে অস্বস্তির কথা জানানোর পরপরই হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। দ্রুত মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়। পরিবার ও ভক্তরা আশায় ছিলেন—এইবারও হয়তো তিনি ফিরে আসবেন। কিন্তু রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে নিভে যায় সেই অমর কণ্ঠ।

চিকিৎসক প্রতীত সমদানি জানিয়েছেন, একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে ভারতীয় সংগীতজগতে। শুধু একজন শিল্পীর মৃত্যু নয়—এ যেন একটি যুগের অবসান।

ছেলে আনন্দ ভোঁসলে জানিয়েছেন, মুম্বইয়ের লোয়ার পারেলের বাসভবনে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে এবং শিবাজি পার্কে সম্পন্ন হবে শেষকৃত্য।

তার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আশা ভোঁসলে শুধু একজন গায়িকা নন, তিনি ছিলেন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা।

দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য ভাষায় হাজারো গান গেয়ে কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার থেকে শুরু করে পদ্মভূষণ—অসংখ্য সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।

‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘এক পরদেশী মেরা দিল লে গয়া’, ‘তুমসে মিলকে’—এমন অগণিত গানের সুর আজও ভেসে বেড়াবে মানুষের মনে।

একজন শিল্পী চলে গেলেও, তার সৃষ্টি কখনো মরে না। আশা ভোঁসলের কণ্ঠও ঠিক তেমনই—সময় পেরিয়ে, প্রজন্ম বদলালেও বেঁচে থাকবে প্রতিটি সুরে, প্রতিটি অনুভূতিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিদায় এক অমর কণ্ঠ: চলে গেলেন আশা ভোঁসলে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

গানের সুর যেন হঠাৎ থেমে গেল। যে কণ্ঠে প্রজন্মের পর প্রজন্ম প্রেম, বেদনা আর জীবনের গল্প শুনেছে—সেই কণ্ঠ আজ চিরনীরব। প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। বয়স হয়েছিল ৯২।

শনিবার সন্ধ্যায় আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শরীরে অস্বস্তির কথা জানানোর পরপরই হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। দ্রুত মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়। পরিবার ও ভক্তরা আশায় ছিলেন—এইবারও হয়তো তিনি ফিরে আসবেন। কিন্তু রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে নিভে যায় সেই অমর কণ্ঠ।

চিকিৎসক প্রতীত সমদানি জানিয়েছেন, একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে ভারতীয় সংগীতজগতে। শুধু একজন শিল্পীর মৃত্যু নয়—এ যেন একটি যুগের অবসান।

ছেলে আনন্দ ভোঁসলে জানিয়েছেন, মুম্বইয়ের লোয়ার পারেলের বাসভবনে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে এবং শিবাজি পার্কে সম্পন্ন হবে শেষকৃত্য।

তার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আশা ভোঁসলে শুধু একজন গায়িকা নন, তিনি ছিলেন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা।

দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য ভাষায় হাজারো গান গেয়ে কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার থেকে শুরু করে পদ্মভূষণ—অসংখ্য সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।

‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘এক পরদেশী মেরা দিল লে গয়া’, ‘তুমসে মিলকে’—এমন অগণিত গানের সুর আজও ভেসে বেড়াবে মানুষের মনে।

একজন শিল্পী চলে গেলেও, তার সৃষ্টি কখনো মরে না। আশা ভোঁসলের কণ্ঠও ঠিক তেমনই—সময় পেরিয়ে, প্রজন্ম বদলালেও বেঁচে থাকবে প্রতিটি সুরে, প্রতিটি অনুভূতিতে।