ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভন্ডপীড়ের ভন্ড মুরীদ গণপূর্ত ই/এম এসডিই মালিক খসরু অপ্রতিরোধ্য!

আলমগীর হোসেন ও আসাদ মাহমুদ
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ২১৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মালিক খসরু। ভন্ড পীর হিসেবে পরিচিত সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের ভন্ড মুরীদ তিনি। এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ৩ বছরেরও অধিক সময় ছিলেন গণপূর্ত ই/এম ৫নং উপবিভাগের দায়িত্বে। সাবডিভিশনটির অধীনে আজিমপুরে বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ প্রকল্পের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজগুলোতে ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে কয়েক কোটি টাকা উর্দ্ধতনদের যোগসাজশে লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চাকরিতে সারাজীবন মালের (টাকা-পয়সা) পেছনে ছুটেছেন বলে সহকর্মীরা তার নাম দিয়েছে ‘মালের খসবু’। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী খসরু চাকরি জীবনের বেশীরভাগ সময়ে ঘুরেফিরে ঢাকাতেই আছেন। ই/এম ৩নং ডিভিশনেই তিনি ছিলেন স্টাফ অফিসার (সহকারী প্রকৌশী)। অবৈধ অর্থের জোড়ে ও ভন্ড পীরের ভন্ড মুরীরদের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে প্রমোশন নিয়ে একই ডিভিশনের অধীন ই/এম ৫নং ডিভিশনে পোষ্টিং বাগিয়ে নেন এই ধুরন্ধর ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। সেখানে তিন বছরেরও অধিক সময় কাটিয়ে ই/এম এর লোভনীয় ৭নং ডিভিশনের অন্তর্গত ১৪নং সাবডিভিশনে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে ঢাকাতেই পোষ্টিং নিয়েছেন তিনি।

সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতার যাওয়ার ২৯ দিন পূর্বে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে মালিক খসরুকে পোষ্টিং দিয়ে যান। মালিক খসরুর এই লোভনীয় ও বিতর্কিত পোষ্টিংয়ে আলোচানা সমালোচনা চাউর হয়ে উঠেছে গোটা অধিদপ্তর জুড়ে। আজিমপুরের দায়িত্বে থাকতে বহুতল বিশিষ্ট কার পার্কিং কাজে উর্ধ্বতনদের যোগসাজশে ব্যাপক অনিয়ম আর দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে প্রায় কোটি টাকা লোপাট করেন তিনি। প্রকল্পের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজগুলোর গ্যাপ খুঁজতে ঠিকাদারের অনুপস্থিতিতে সময়ে অসময়ে সাইট ভিজিট করে বিভিন্ন অজুহাতে ঠিকাদারকে ডেকে পাঠিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্য করতেন এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। এভাবে আদায়কৃত ঘুষের টাকা তিনি ডলারে কনভার্ট করে আত্মীয়-স্বজনদের নামে বিদেশে পাচার করে তা আবার দেশে এনে বৈধ করার চেষ্টা করছেন মালিক খসরু। অবৈধ টাকা লেনদেন ও সঞ্চয়ের জন্য ভাই-ভাতিজা শশুর-শাশুড়ি স্ত্রী শালা-শালির নামে প্রায় ২৫টি ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করছেন তিনি।

কমিশন/ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ অর্থে ঢাকার খিলগাঁওয়ে আলীশান এপার্টমেন্ট, কয়েক বন্ধু মিলে ডেভেলপার ব্যবসা, দেশের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুরে কমপক্ষে ২০ বিঘা জমিসহ নামে-বেনামে প্রায় ২০ কোটি টাকার সহায়-সম্পদের মালিক তিনি। স্বৈরাচারের সাবেক কৃষি মন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাকের প্রভাব কাজে লাগিয়ে সে সময়ে ই/এম বিভাগ-৫ (তেজগাঁও সেকশন), কাঠের কারখানাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনগুলোতে দায়িত্ব পালনের সুবাদে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসাসহ বিবিধ উপায়ে কোটি টাকা লোপাট করেছেন এই ডিপ্লেমা প্রকৌশলীৗ। ৩নং ডিভিশনের এসডিই থাকতে ব্রাদার্স ইলেকটিকসহ কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে পরোক্ষভাবে ব্যবসা করার অভিযোগ তুলেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন ঠিকাদার।

ক’ অদ্যক্ষরের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, কাজ সুষ্ঠুভাবে উঠানোর সুবিধার্থে ডি. প্রকৌশলী মালের খসবুকে ফাইভস্টার হোটেলে আমোদস্ফুর্তি করানোসহ দেশের বিভিন্ন ট্যুরিষ্ট স্পটে প্রমোদ ভ্রমনের ব্যবস্থা করে দিয়েছি বহুবার। প্রতিবারই তিনি সেখানে ৩/৪দিনের জন্য কখনো বন্ধু/বান্ধবী আবার কখনো পরিবারসহ ভ্রমণে গিয়েছেন। এর পরেও সাইডে গিয়ে বিভিন্ন ধরণের ডিষ্টার্ব করেছেন তিনি। তিনি একজন চরিত্রহীন কর্মকর্তা। টাকা আদায়ের জন্য ঠিকাদারের সাথে যে কোন ব্যবহার করতে পারেন তিনি।

আরো জানা যায়, ২০৯২৪-২৫ অর্থবছরে ১১,৩১,১১৭/-টাকা চুক্তিমূল্যে আজিমপুরের পলাশী সরকারি আবাসিক কোয়ার্টারের বিভিন্ন ভবনে পুরে যাওয়া সার্ভিস ও সাবমেইন ক্যাবল ফিটিং ফিক্সারস্ পরিবর্তনসহ আনুসাঙ্গিক ইলেকট্রিক মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং একই অর্থবছরে ৭,৯১,৭০,৮৯১/- টাকা চুক্তিমূল্যে আজিমপুর কলোনীর জোন-এ-তে সরকারি অফিসারদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণ প্রকল্পে বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন যন্ত্রপাতি আরএমইউ এইচটি মিটারিং ইউনিট ও ক্যাবল সরবরাহ স্থাপন টেষ্টিং কমিশনিংসহ আনুসাঙ্গিক বৈদ্যুতিক কাজগুলোতে ঠিকাদারের কাছ থেকে মালামাল সরবরাহের গোপণ কন্ট্রাক্ট নিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। এছাড়াও সাবষ্টেশন মালামাল জেনারেটর সোলার প্যানেল এক্সটারনাল ইলেকট্রিফিকেশন এয়ারকুলার এসভিআরএফ ভেন্টিলেশন সিস্টেম পিএবিএক্স ও ইন্টারকম সিস্টেম সিসিটিভি ফায়ার প্রকেটশন ও ডিকেটকশন সিস্টেম ফায়ার ফাইটিং ইকুইপমেন্টস সিকিউরিটি ও গার্ডেন লাইট সরবরাহ ও স্থাপণ কাজগুলোতে নিম্নমাণের চাইনিজ ব্র্যান্ডের মালামাল ব্যবহার করার কারণে হরহামেসাই বিভিন্ন ধরণের যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ইলেকট্রিক ও যান্ত্রিক সমস্যা নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই এলোটিদের। এ নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরবর্তীতে।

বিষয়গুলো নিয়ে এসডিই মালিক খসরুর ব্যবহৃত ০১৭১২….৬৪ নং মোবাইলে একাধিকবার কল করেও কোন রেসপন্স না পাওয়ায় মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভন্ডপীড়ের ভন্ড মুরীদ গণপূর্ত ই/এম এসডিই মালিক খসরু অপ্রতিরোধ্য!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মালিক খসরু। ভন্ড পীর হিসেবে পরিচিত সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের ভন্ড মুরীদ তিনি। এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ৩ বছরেরও অধিক সময় ছিলেন গণপূর্ত ই/এম ৫নং উপবিভাগের দায়িত্বে। সাবডিভিশনটির অধীনে আজিমপুরে বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ প্রকল্পের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজগুলোতে ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে কয়েক কোটি টাকা উর্দ্ধতনদের যোগসাজশে লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চাকরিতে সারাজীবন মালের (টাকা-পয়সা) পেছনে ছুটেছেন বলে সহকর্মীরা তার নাম দিয়েছে ‘মালের খসবু’। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী খসরু চাকরি জীবনের বেশীরভাগ সময়ে ঘুরেফিরে ঢাকাতেই আছেন। ই/এম ৩নং ডিভিশনেই তিনি ছিলেন স্টাফ অফিসার (সহকারী প্রকৌশী)। অবৈধ অর্থের জোড়ে ও ভন্ড পীরের ভন্ড মুরীরদের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে প্রমোশন নিয়ে একই ডিভিশনের অধীন ই/এম ৫নং ডিভিশনে পোষ্টিং বাগিয়ে নেন এই ধুরন্ধর ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। সেখানে তিন বছরেরও অধিক সময় কাটিয়ে ই/এম এর লোভনীয় ৭নং ডিভিশনের অন্তর্গত ১৪নং সাবডিভিশনে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে ঢাকাতেই পোষ্টিং নিয়েছেন তিনি।

সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতার যাওয়ার ২৯ দিন পূর্বে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে মালিক খসরুকে পোষ্টিং দিয়ে যান। মালিক খসরুর এই লোভনীয় ও বিতর্কিত পোষ্টিংয়ে আলোচানা সমালোচনা চাউর হয়ে উঠেছে গোটা অধিদপ্তর জুড়ে। আজিমপুরের দায়িত্বে থাকতে বহুতল বিশিষ্ট কার পার্কিং কাজে উর্ধ্বতনদের যোগসাজশে ব্যাপক অনিয়ম আর দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে প্রায় কোটি টাকা লোপাট করেন তিনি। প্রকল্পের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজগুলোর গ্যাপ খুঁজতে ঠিকাদারের অনুপস্থিতিতে সময়ে অসময়ে সাইট ভিজিট করে বিভিন্ন অজুহাতে ঠিকাদারকে ডেকে পাঠিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্য করতেন এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। এভাবে আদায়কৃত ঘুষের টাকা তিনি ডলারে কনভার্ট করে আত্মীয়-স্বজনদের নামে বিদেশে পাচার করে তা আবার দেশে এনে বৈধ করার চেষ্টা করছেন মালিক খসরু। অবৈধ টাকা লেনদেন ও সঞ্চয়ের জন্য ভাই-ভাতিজা শশুর-শাশুড়ি স্ত্রী শালা-শালির নামে প্রায় ২৫টি ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করছেন তিনি।

কমিশন/ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ অর্থে ঢাকার খিলগাঁওয়ে আলীশান এপার্টমেন্ট, কয়েক বন্ধু মিলে ডেভেলপার ব্যবসা, দেশের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুরে কমপক্ষে ২০ বিঘা জমিসহ নামে-বেনামে প্রায় ২০ কোটি টাকার সহায়-সম্পদের মালিক তিনি। স্বৈরাচারের সাবেক কৃষি মন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাকের প্রভাব কাজে লাগিয়ে সে সময়ে ই/এম বিভাগ-৫ (তেজগাঁও সেকশন), কাঠের কারখানাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনগুলোতে দায়িত্ব পালনের সুবাদে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসাসহ বিবিধ উপায়ে কোটি টাকা লোপাট করেছেন এই ডিপ্লেমা প্রকৌশলীৗ। ৩নং ডিভিশনের এসডিই থাকতে ব্রাদার্স ইলেকটিকসহ কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে পরোক্ষভাবে ব্যবসা করার অভিযোগ তুলেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন ঠিকাদার।

ক’ অদ্যক্ষরের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, কাজ সুষ্ঠুভাবে উঠানোর সুবিধার্থে ডি. প্রকৌশলী মালের খসবুকে ফাইভস্টার হোটেলে আমোদস্ফুর্তি করানোসহ দেশের বিভিন্ন ট্যুরিষ্ট স্পটে প্রমোদ ভ্রমনের ব্যবস্থা করে দিয়েছি বহুবার। প্রতিবারই তিনি সেখানে ৩/৪দিনের জন্য কখনো বন্ধু/বান্ধবী আবার কখনো পরিবারসহ ভ্রমণে গিয়েছেন। এর পরেও সাইডে গিয়ে বিভিন্ন ধরণের ডিষ্টার্ব করেছেন তিনি। তিনি একজন চরিত্রহীন কর্মকর্তা। টাকা আদায়ের জন্য ঠিকাদারের সাথে যে কোন ব্যবহার করতে পারেন তিনি।

আরো জানা যায়, ২০৯২৪-২৫ অর্থবছরে ১১,৩১,১১৭/-টাকা চুক্তিমূল্যে আজিমপুরের পলাশী সরকারি আবাসিক কোয়ার্টারের বিভিন্ন ভবনে পুরে যাওয়া সার্ভিস ও সাবমেইন ক্যাবল ফিটিং ফিক্সারস্ পরিবর্তনসহ আনুসাঙ্গিক ইলেকট্রিক মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং একই অর্থবছরে ৭,৯১,৭০,৮৯১/- টাকা চুক্তিমূল্যে আজিমপুর কলোনীর জোন-এ-তে সরকারি অফিসারদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণ প্রকল্পে বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন যন্ত্রপাতি আরএমইউ এইচটি মিটারিং ইউনিট ও ক্যাবল সরবরাহ স্থাপন টেষ্টিং কমিশনিংসহ আনুসাঙ্গিক বৈদ্যুতিক কাজগুলোতে ঠিকাদারের কাছ থেকে মালামাল সরবরাহের গোপণ কন্ট্রাক্ট নিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। এছাড়াও সাবষ্টেশন মালামাল জেনারেটর সোলার প্যানেল এক্সটারনাল ইলেকট্রিফিকেশন এয়ারকুলার এসভিআরএফ ভেন্টিলেশন সিস্টেম পিএবিএক্স ও ইন্টারকম সিস্টেম সিসিটিভি ফায়ার প্রকেটশন ও ডিকেটকশন সিস্টেম ফায়ার ফাইটিং ইকুইপমেন্টস সিকিউরিটি ও গার্ডেন লাইট সরবরাহ ও স্থাপণ কাজগুলোতে নিম্নমাণের চাইনিজ ব্র্যান্ডের মালামাল ব্যবহার করার কারণে হরহামেসাই বিভিন্ন ধরণের যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ইলেকট্রিক ও যান্ত্রিক সমস্যা নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই এলোটিদের। এ নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরবর্তীতে।

বিষয়গুলো নিয়ে এসডিই মালিক খসরুর ব্যবহৃত ০১৭১২….৬৪ নং মোবাইলে একাধিকবার কল করেও কোন রেসপন্স না পাওয়ায় মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।