ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতে ঘুম নেই, সকালে ক্লান্তি! ‘সার্কাডিয়ান ডিপ্রেশন’-এর লক্ষণ চিনবেন যেভাবে কৃত্রিম রুম ফ্রেশনার নয়, ঘর মাতুক ৬ সুগন্ধি ফুলের গাছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবির আভাস, সমর্থন নেমে ৩৬ শতাংশে নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন শরীরী দৃশ্যে আপত্তি রশ্মিকার গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের উদ্যোগ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পাসওয়ার্ড ছাড়াই সার্ভারে হামলার শঙ্কা, সতর্কতায় কয়েকটি সাইট স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম সেচ পাম্প সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যসচিব

বায়ুদূষণে চ্যাম্পিয়ন ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫ ২৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। শীতকাল এলেই ঢাকার বাতাস হয়ে ওঠে ভয়ংকর। চলতি শীত মৌসুমেও এর ব্যতিক্রম নয়। এবছর শীতের শুরুতেও টানা কয়েকদিন বাতাসের মান খুবই অস্বাস্থ্যকর ছিল। তার ধারাবাহিকতায় সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে শহরের বাতাসে দূষণ ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, ২৬৬ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রাজধানী ঢাকা।

এই সময়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ২৫২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ভারতের দিল্লি। এ ছাড়া ২২০ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয়, ২১১ স্কোর নিয়ে পরের অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা নেপালের কাঠমান্ডুর স্কোর ২০৮।

সাধারণত, একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকলে তাকে ‘মাঝারি’ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো। বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বায়ুদূষণে চ্যাম্পিয়ন ঢাকা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। শীতকাল এলেই ঢাকার বাতাস হয়ে ওঠে ভয়ংকর। চলতি শীত মৌসুমেও এর ব্যতিক্রম নয়। এবছর শীতের শুরুতেও টানা কয়েকদিন বাতাসের মান খুবই অস্বাস্থ্যকর ছিল। তার ধারাবাহিকতায় সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে শহরের বাতাসে দূষণ ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, ২৬৬ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রাজধানী ঢাকা।

এই সময়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ২৫২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ভারতের দিল্লি। এ ছাড়া ২২০ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয়, ২১১ স্কোর নিয়ে পরের অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা নেপালের কাঠমান্ডুর স্কোর ২০৮।

সাধারণত, একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকলে তাকে ‘মাঝারি’ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো। বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে।