ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে ইসির তোড়জোড় হামের টিকাকাণ্ডে অন্তর্বর্তী সরকারের দায় খুঁজতে তদন্ত কমিশন চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা অনুমোদনহীন প্ল্যান্টে হেভি ক্রুড আমদানির অনুমতি চায় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএসসি সংস্কারসহ ১৩ দফা দাবি শিবিরের, নিয়োগে দলীয় প্রভাব বন্ধের আহ্বান তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমি নিয়ে পাল্টাপাল্টি দখলের অভিযোগ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ:ডাচ-বাংলার ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের অনুমতিতে অপেক্ষা ১০ বছর, কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি ৭ নভেম্বর উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী মহেশপুর সীমান্তের ধানক্ষেতে নারীর মরদেহ, পরিচয় মিলেছে যশোরে

২০২৪ সালে পদ্মা সেতু থেকে আয় ৮৩৮ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫ ১৯০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৪ সালে পদ্মা সেতু থেকে ৮৩৮.৫৬ কোটি টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) । আর যানবাহন চলাচল করেছে ৬৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭৮টি। এসব যানবাহন থেকেই ওই টোল আদায় করা হয়।

পদ্মা বহুমুখী সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ নিলয় বলেন, ২০২২ সালের ২৫ জুন যান চলাচলের জন্য ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি খোলার পর থেকে বিবিএ এক কোটি ৫৮ লাখ ৮ হাজার ৯৬৮টি যানবাহন থেকে মোট দুই হাজার ৬১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা আয় করেছে।

বিবিএ এ পর্যন্ত মেগা প্রকল্প নির্মাণের জন্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ পরিশোধের জন্য ১০ কিস্তিতে এক হাজার ৫৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা অর্থ বিভাগকে পরিশোধ করেছে। সেতু বিভাগ ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল রাজস্ব থেকে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য ঋণ হিসাবে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করা শুরু করে।

তিনি বলেন, সাধারণত সরকারকে প্রতি অর্থবছরে চারটি কিস্তি প্রদান করা হয় এবং প্রতি কিস্তিতে ১৫৭ কোটি ৭১ কোটি টাকা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের ১৪ জুন এক দিনে সর্বোচ্চ টোল আদায় হয়েছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ। যখন রেকর্ড সংখ্যক ৪৪ হাজার ৩৩ টি যানবাহন সেতুটি অতিক্রম করেছিল।

বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন থেকে সরে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সরকার নিজস্ব অর্থায়নে মোট ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছে।

এ অর্থের মধ্যে সরকার ৩০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে এবং বাকি ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা এক শতাংশ সুদে ঋণ হিসেবে দেয়া হয়েছে বিবিএকে।

২০১৯ সালের ২৯ আগস্ট অর্থ বিভাগের সাথে চুক্তি অনুসারে, বিবিএ ৩৫ বছরের মধ্যে ১৪০টি কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করবে।

পরিশোধের সময়সূচী অনুযায়ী, প্রতি অর্থবছরে সর্বনিম্ন ৬৩৪ কোটি টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২০২৪ সালে পদ্মা সেতু থেকে আয় ৮৩৮ কোটি টাকা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

২০২৪ সালে পদ্মা সেতু থেকে ৮৩৮.৫৬ কোটি টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) । আর যানবাহন চলাচল করেছে ৬৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭৮টি। এসব যানবাহন থেকেই ওই টোল আদায় করা হয়।

পদ্মা বহুমুখী সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ নিলয় বলেন, ২০২২ সালের ২৫ জুন যান চলাচলের জন্য ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি খোলার পর থেকে বিবিএ এক কোটি ৫৮ লাখ ৮ হাজার ৯৬৮টি যানবাহন থেকে মোট দুই হাজার ৬১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা আয় করেছে।

বিবিএ এ পর্যন্ত মেগা প্রকল্প নির্মাণের জন্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ পরিশোধের জন্য ১০ কিস্তিতে এক হাজার ৫৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা অর্থ বিভাগকে পরিশোধ করেছে। সেতু বিভাগ ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল রাজস্ব থেকে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য ঋণ হিসাবে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করা শুরু করে।

তিনি বলেন, সাধারণত সরকারকে প্রতি অর্থবছরে চারটি কিস্তি প্রদান করা হয় এবং প্রতি কিস্তিতে ১৫৭ কোটি ৭১ কোটি টাকা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের ১৪ জুন এক দিনে সর্বোচ্চ টোল আদায় হয়েছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ। যখন রেকর্ড সংখ্যক ৪৪ হাজার ৩৩ টি যানবাহন সেতুটি অতিক্রম করেছিল।

বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন থেকে সরে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সরকার নিজস্ব অর্থায়নে মোট ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছে।

এ অর্থের মধ্যে সরকার ৩০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে এবং বাকি ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা এক শতাংশ সুদে ঋণ হিসেবে দেয়া হয়েছে বিবিএকে।

২০১৯ সালের ২৯ আগস্ট অর্থ বিভাগের সাথে চুক্তি অনুসারে, বিবিএ ৩৫ বছরের মধ্যে ১৪০টি কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করবে।

পরিশোধের সময়সূচী অনুযায়ী, প্রতি অর্থবছরে সর্বনিম্ন ৬৩৪ কোটি টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা দিতে হবে।