হাসিনা- কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ কার্যকরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ কার্যকর করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। চিঠিতে তাঁদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির তালিকা তৈরি করে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো শেখ হাসিনাসংক্রান্ত স্মারকে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর (আইসিটি বিডি মামলা নং ০২/২০২৫) রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই রায়ে তাঁর সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিতরণের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ আদেশ বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়।
চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া না হলে তিনি যেকোনো সময় সেগুলো ভোগ, বিক্রি কিংবা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তর করতে পারেন। এতে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তসংক্রান্ত ট্রাইব্যুনালের রায় ও আদেশ কার্যত নিষ্ফল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এ কারণে শেখ হাসিনার নামে থাকা সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে সেগুলো রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। পাশাপাশি ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব সম্পত্তি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিতরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।
শুধু শেখ হাসিনা নন, একই মামলায় দণ্ডিত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ কার্যকর করতেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক স্মারক পাঠানো হয়েছে। তাঁদের উভয়ের সম্পত্তি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার বিষয়টিই চিঠিতে গুরুত্ব পেয়েছে।





















