২ ডিসেম্বর পরীক্ষা নেওয়ার প্রাথমিক আলোচনা, ডিসেম্বরেই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা
এক-দুই বিষয়ে ফেল করা ৪ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছে ডিসেম্বরে!

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আর পরবর্তী বছরের পরীক্ষা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। ফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যেই শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষা ছাড়াই উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার তারিখ, ফরম পূরণের সময়সূচি এবং পরীক্ষার ফি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে জানানো হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২ ডিসেম্বর পুনঃপরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে ডিসেম্বরের মধ্যেই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মূল লক্ষ্য, পুনঃপরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যেন উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার কথা জানান।
৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পাবেন সুযোগ
এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন পরীক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে এক বিষয়ে অকৃতকার্য ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন।
বর্তমান নিয়মে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরবর্তী বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে অথবা ইচ্ছা করলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। ফলে মাত্র এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পরও একজন শিক্ষার্থীকে প্রায় এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে উচ্চশিক্ষায় ভর্তি এবং শিক্ষাজীবনের পরবর্তী ধাপ শুরু করতেও বিলম্ব ঘটে।
নতুন উদ্যোগ কার্যকর হলে এই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে পারে। তবে পুনঃপরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ, ফরম পূরণ, ফি এবং পরীক্ষার পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার অপেক্ষা রয়েছে। আগামী ৩ নভেম্বরের ঘোষণায় এসব বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।























