ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টাঙ্গাইলে রেমিট্যান্স মেলায় গুরুত্ব পেল প্রবাসী আয়ের সঠিক ব্যবহার সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবির অভিযানে হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত দাম্মাম-রিয়াদে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্র স্থগিত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ ভগ্নিপতির  সাথে দেখা করে বাড়ি ফিরা হলোনা বিকাশের ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৩ রূপগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের উন্নয়নে নতুন ভবন ও রেকর্ড রুম নির্মাণের আশ্বাস আজ বোধন, কাল থেকে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা ব্যাংক লুটের দায় জনগণ নেবে কেন, প্রশ্ন সেমিনারে

সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্র স্থগিত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত সংশোধিত অধ্যাদেশের আওতায় বিধিমালা প্রণয়ন এবং নতুন রেট শিডিউল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কাজ, সেবা ও পণ্য সরবরাহসংক্রান্ত দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। সিনিয়র সহকারী সচিব এ বি এম আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিটি দেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর আওতায় বিধিমালা প্রণয়ন সম্পন্ন এবং নতুন রেট শিডিউল প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব কাজ, সেবা ও পণ্য সরবরাহের দরপত্র এবং ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত রাখতে হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

নির্দেশনাটি সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা পরিষদের প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

উন্নয়নকাজের নতুন দরপত্র নিয়ে অনিশ্চয়তা

নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নকাজ, সেবা গ্রহণ ও পণ্য কেনার জন্য নতুন দরপত্র আহ্বান এবং ক্রয়প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া আপাতত বন্ধ থাকবে।

তবে ইতিমধ্যে কার্যাদেশ দেওয়া কাজ কিংবা বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের বিষয়ে চিঠিতে আলাদা কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সংশোধিত অধ্যাদেশের আওতায় বিধিমালা প্রণয়ন ও নতুন রেট শিডিউল প্রকাশের নির্দিষ্ট সময়সীমাও উল্লেখ করা হয়নি।

ফলে স্থগিতাদেশ কত দিন কার্যকর থাকবে এবং চলমান ক্রয়প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্র স্থগিত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত সংশোধিত অধ্যাদেশের আওতায় বিধিমালা প্রণয়ন এবং নতুন রেট শিডিউল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কাজ, সেবা ও পণ্য সরবরাহসংক্রান্ত দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। সিনিয়র সহকারী সচিব এ বি এম আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিটি দেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর আওতায় বিধিমালা প্রণয়ন সম্পন্ন এবং নতুন রেট শিডিউল প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব কাজ, সেবা ও পণ্য সরবরাহের দরপত্র এবং ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত রাখতে হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

নির্দেশনাটি সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা পরিষদের প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

উন্নয়নকাজের নতুন দরপত্র নিয়ে অনিশ্চয়তা

নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নকাজ, সেবা গ্রহণ ও পণ্য কেনার জন্য নতুন দরপত্র আহ্বান এবং ক্রয়প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া আপাতত বন্ধ থাকবে।

তবে ইতিমধ্যে কার্যাদেশ দেওয়া কাজ কিংবা বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের বিষয়ে চিঠিতে আলাদা কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সংশোধিত অধ্যাদেশের আওতায় বিধিমালা প্রণয়ন ও নতুন রেট শিডিউল প্রকাশের নির্দিষ্ট সময়সীমাও উল্লেখ করা হয়নি।

ফলে স্থগিতাদেশ কত দিন কার্যকর থাকবে এবং চলমান ক্রয়প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে।