পূজোর নতুন জামা পেলো হরিজন পরিবারের শিশুরা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে নতুন কাপড় পেলো হরিজন পল্লীর শিশুরা। শুক্রবার(৯ অক্টোবর) সকালে শহরের কলেজ সড়কের হরিজন পল্লীতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন সহপথ এর আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিশুদের হাতে কাপড় তুলে দেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মিনহাজুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অসিম কুমার কর, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সিলেট বিভাগীয় উপ সহকারী পরিচালক নিঝুম রায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের সাবেক পরিচালক সত্যকাম চক্রবর্তী, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, সাংবাদিক ইসমাইল মাহমুদ, শফিকুল ইসলাম রুম্মন, সাংবাদিক এসকে দাশ সুমন, লন্ডন প্রবাসী নুর বক্স, সাংবাদিক মো. আলামিন, সহপথ সংগঠনের সমন্বয়ক শিমুল তরফদার, মৃদুল দেব, কাজল হাজরা, আল ইব্রাহিম, রাজেশ ভৌমিক, নয়ন নায়েক, সীমা তাঁতী, রক্তিমা নাগ, সুমিতা তাঁতী প্রমুখ।
সহপথ সংগঠনের সমন্বয়ক রাজেশ ভৌমিক বলেন,সামনেই শারদীয় দুর্গা পূজা। আমরা চাই সবাই মিলে যেন আনন্দঘন পরিবেশে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারি। এজন্য আমরা হরিজন পল্লীর শিশুদের মধ্যে নতুন কাপড় বিতরন করেছি। শিশুদের মুখে হাসি ফুটেছে দেখে আমরা নিজেরাও আনন্দিত হয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, এরকম একটি চমৎকার আয়োজন ‘করেছে সহপথ’ তাদের স্লোগানটিও চমৎকার— ‘মানুষের পাশে, মানুষের পথে’।
আমরা যদি একসাথে সবাই কাজ করি, প্রত্যেকের জায়গা থেকে একটু একটু করে অবদান রাখা যায়, তাহলেই আমরা যে সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি সেটি সফল হবে।
শারদীয় দুর্গোৎসব বাংলাদেশ এবং শ্রীমঙ্গলের বাস্তবতায়, যদিও এটি একটি ধর্মীয় উৎসব, কিন্তু আমাদের দেশে যেকোনো উৎসবকে সকলে মিলে সামাজিক সম্প্রীতি হিসেবে যেভাবে সুন্দরভাবে পালন করা হয়, তারই একটি উদাহরণ হচ্ছে এটি। এই উৎসবে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যে যে করণীয়গুলো রয়েছে, আমরা একাধিক মিটিং করেছি, আমরা সেগুলো করবো।
এর মধ্যে আপনাদের এই আয়োজন আমাদেরকে আরও আনন্দিত করেছে, আরও মোটিভেটেড করেছে যে আমাদের যারা পিছিয়ে পড়া সমাজ, তাদের পাশে আপনারা দাঁড়িয়েছেন। এটি আমি সকলের পক্ষ থেকে, পৌরসভার প্রশাসক কিংবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার যেকোনো ক্যাপাসিটির পক্ষ থেকেই আমি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতাটুকু প্রকাশ করলাম।
আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব সকলকে নিয়ে উৎসবের পরিবেশে হোক, সেটি প্রত্যাশা করি।























